নির্বাচন মেনে নিতে পারি না । একবার হয়ে গেলে জুলাই বিপ্লব আর বেঁচে থাকবে না । বি এন পি কিছুতেই কোনো প্রকার সংস্কার করবে না । আমার বিশ্বাস, এ জন্য তারা এই এক বছর যাবত কোনো সংস্কার বিষয়ে একমত হয় নাই । এ জন্য বলতে হল । বর্তমান সরকার সাফল্য আনতে পারবেন না । ছাত্র জনতার বিপ্লব হেরে যাবে । এন সি পি হাত মিলাতে চায় বি এন পি এর সাথে । তাতে তারা হারিয়ে যাবে । আমি নতুন করে শাসন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে পারব । আমি ৪০ বছর পড়ালেখা করেছি । আমি এখন একটা ব্যবস্থা করে দিতে পারি সকল মানুষ বাস করতে পারবে । আমি ব্রিটেন এর মত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরী করতে পারবো, সেই মত আইন তৈরী করে প্রণয়ন করতে পারবো । অর্থনৈতিক ব্যবস্থা মানুষ, সমাজ কে শান্তি এনে দিতে পারে । আর আইন ব্যবস্থা সঠিকভাবে পরিচালনা হলে সমজে শান্তি বিরাজমান থাকে । অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হল। যেখানে জনগন সরকার এ থেকে অর্থনৈতিক সহায়তা পেয়ে থাকে , এই ব্যবস্থা অতি জরূরী বিশেষ করে আমাদের দেশের জন্য । আমাদের সমাজের মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ খুবই সুচিন্তায় দিন যাপন করে। এই সমস্যার সমাধান করবো । তারপর আইন সংস্কার করবো । সকল নাগরিকগণ চায় নিজের একটি আবাসন হবে, নিজের একটি চাকুরী থাকবে , আয় থাকবে , জীবন-জীবিকা চলতে থাকবে , হাঁ তার জন্য কিছুটা হলে ও সরকার এর দায়বদ্ধতা আছে । আর তা আমি পালন করে রীতিনীতি তে আনবো । মানুষ কে অসহায় হয়ে থাকতে হবে না । রাষ্ট্র তার নাগরিকদের সুরক্ষা করবে, এটাই সকলের আশা থাকে, আর তা আমি বাস্তবায়ন করবো । এর জন্য বড় পরিকল্পনা আছে । আমি ১৪ দিনের মধ্যে গণসংসদ আমার মত করে বানাবো । এবং ৬০০ থেকে ৯০০ জন রাখবো ।
গণতন্ত্র বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন দিয়ে প্রতিনিধিগণ নিয়ে সংসদ তৈরী হয় গত ৫৪ বছর যাবত , কিন্তু সংসদ সদস্যগণ জনগণের জন্য যা করে থাকেন, তা হল অহেতুক একটা ভিক্ষা দেওয়ার মত একটা ব্যবস্থা, যেখানে শুধু তাদের আয়ের পথ খোলে যায় এই কথা হাজারবার পত্র-পত্রিকায় এসেছে । তাই জনগণের ক্ষমতা এমন প্রকার সংসদ দ্বারা আসবে না , তাই চাই না , এই প্রকার নির্বাচন ।
আমি প্রস্তাব করি , সিটি কর্পোরেশন গুলোর কাছে যে পরিমান অর্থ আছে তা ব্যয় করতে হবে , জন সাধারণের জন্য । অন্ন, বস্ত্র , বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিচার ব্যবস্থা সহজে জনসেবায় ব্যয় করা । সব উন্নয়ন বন্ধ করতে হবে আগামী তিন বছরের জন্য । সম পরিমান ব্যবস্থা করতে হবে সকল পৌরসভা ও সকল ইউনিয়ন পরিষদ কে সরকার বছরে ২ কোটি করে টাকা দিতে হবে তিন বছরের জন্য । সরকারী সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড বন্ধ করে সকল টাকা নাগরিক উন্নয়নের জন্য ব্যয় করতে হবে ।
সকল ছাত্রজনতা গ্রামগঞ্জে গিয়ে নিজ নিজ ইউনিয়নে নাগরিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করলে তিন বছর সময়ে আমরা গণতন্ত্র কি বুঝতে পারবো । সরকারের এই অর্থ ব্যয় হবে অভাব অনটন দূর করার জন্য । পরিকল্পনা করে বাসস্থান তৈরী করা এর সাথে শিক্ষা ব্যবস্থা , স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি দিয়া শান্ত পরিবেশ আনতে হবে । তা হলে এক বছর পর কাজের জন্য পর্যাপ্ত ট্রেনিং দিয়ে কাজ এ যোগ দেওয়াতে পারা সম্ভব হবে । বিশ্ববিদ্যালয় ৬ মাস বন্ধ রেখে গ্রাম-গঞ্জে পরিকল্পনা করে নতুন করে শহর তৈরী করা সম্ভব , কিন্তু কোনো অযথা অর্থ ব্যয় না করা হতে হবে লক্ষ্য । শহর বানালে জমি রক্ষা করা যাবে । বর্তমান উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ করা জরূরী, এইগুলো বিদেশীদের খুশি করার জন্য । কৃষি ক্ষেত্রে কেমিকেল ব্যবহার বন্ধ করা জরূরী । আমাদের পুরোনো পদ্ধতি চাষাবাদ ভালো ছিল । সকল স্তরে বেতন বৃদ্ধি করা হতে হবে নূ্ন্যতম ১০ হাজার মাসিক বেতন, এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে হবে ।
সকল বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র যদি ১ বছরের জন্য ছুটি নিয়ে গ্রাম-গঞ্জে গিয়ে মানুষের সাথে কাজকর্ম করে , তাদের কে জানাতে পারে। সেই বিষয় হবে খুব গুরুত্বপূর্ন । তারা অনুভব করতে শিখবে এবং প্রশিক্ষণ নিতে পারবে, তারপর পরিকল্পনা করতে সুবিধা হবে । কি কি প্রকার সুবিধা করে দিলে তাদের জন্য ভালো হবে, শহর থেকে গিয়ে বলে দিলে হবে না ,তাদেরকে বুঝাতে হবে গ্রামে পাকা রাস্তা মানায় না, তবে অন্য প্রকার ইট বিছানো রাস্তা হতে পারে, খালি পায়ে হাঁটা জরূরী গ্রামে তাই এই কথা মাথায় রাখতে হবে । কাদামাটি না হওয়ার জন্য কত প্রকার কাজ করা যায়, তা চিন্তাশক্তির প্রয়োজন । এই সময়ে সকল ছাত্রদের ৫ হাজার টাকা মাইনে বা প্রতি সপ্তাহে ৫০০ টাকা দিতে হবে । এই সময়ে চিকিৎসা সেবা দিতে প্রশিক্ষণ দিতে পারবেন , নিতে পারেন ভালো প্রশিক্ষণ । শিক্ষা ব্যবস্থা কে উন্নত করা সম্ভব এই সময়ে ।
এত সবকিছুর পর খেলা ধূলা , সুস্থ্য ব্যায়াম করা , সৈনিকদের মত ব্যায়াম হলে তো যুবসমাজ অনেক বুদ্ধিমান হয়ে উঠবে । যেকোনো কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে । মনোবল হবে প্রচুর, দৃঢ় বিশ্বাস হবে, আত্নবিশ্বাস হবে । অপরের দেশ খুঁজতে যাবে না বার বার । নিজ নিজ কাজ সাধন করে আগাইতে পারবে । মুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সকল উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থা থাকা ভালো হবে । একসময় হবে যখন নিজ নিজ ঘর-বাড়ী ক্রয় করে থাকতে পারবে । বেচাকেনা করতে পারবে । গ্রামে অনেকে আবাসন তৈরী করে ভাড়া দিতে পারেন, বিক্রয় করতে পারেন । পরিকল্পনা করতে হবে । ভালো পরিকল্পনায় ভালো আবাসিক এলাকা হয়ে উঠতে পারে । গুচ্ছগ্রাম কে রিপ্লেস করা সম্ভব । একটি কথা, কেউ ছাত্র সংগঠন নাম নিয়ে যেতে পারবেন না । সব ক্ষেত্রে সকল সংগঠন নিরব থাকতে হবে । সাংগঠনিক সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে । এতে সকলের মঙ্গল আসবে ।
আপনাদের বলি, এই যে পুরাতন বাসগুলো রাস্তায় চলে, কিছু পূর্বে বন্ধ করার জন্য আহবান করেছিলেন , কিন্তু কোনো কাজ হয় নাই । আপনারা বিপ্লবী সরকার হলে সকল মালিকদের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে প্রতিটি বাস ক্রয় করে নিবেন, এবং সাথে সাথে ভেঙ্গে দিয়ে রিসাইকেল এ দিবেন । এতে আপনাদের সাফল্য আসবে । বুড়িগঙ্গা নদী থেকে সকল প্রকার হোটেল বা যে নৌযান নোঙ্গর করে থাকে, তাদের কাছ থেকে ক্রয় করে ফেলেন ১ লক্ষ দিয়ে , এবং সকল কিছু সরাইয়া পরিষ্কার করে ফেলেন । যা থাকবে তা চলমান হতে হবে ।
এখন ও আমি আসল কথা বলি নাই , কোথায় কি করতে হবে । এসব বাস্তবায়ন করতে হলে প্রথম যে কাজটি করতে হবে তা আমি লিখে দিব যখন সকল প্রস্তুতি হয়ে যাবে । হা, এই সব বাস্তবায়ন এর জন্য সকল দল আপনাদের সাথে আসবে না । তারা চাইবে, পুরাতন লুটপাট চলমান রাখতে । তাদের সাথে পরামর্শ করার প্রয়োজন নাই । বর্তমান সংসদ নির্বাচিত হয়ে যাওয়ার পর বড় দলের সাথে থাকতে হবে । নতুনদের দাবী এতটা গুরুত্ব দিবে বলে মেনে নিতে পারি না । সেখানে বড় আকারের টাকার খেলা চলে । এত বড় লোভ-লালসা থেকে মুখ ফেরানো সহজ কথা নয় , তখন সকল ভালো কথা , উদার , নৈতিক সবকিছু ভুলে যাওয়া সম্ভব । তাই একটি উন্নতমানের রাষ্ট্র গঠন করতে হলে গাজীবাবাদের কথায় হবে না । প্রতিটি স্তরের সংস্কার করতে হবে । এটাই হবে কঠিন কাজ । বর্তমান জমির মূল্য কি কর্মজীবী মানুষের আয়ের সাথে মিল আছে । এই মিল না থাকার অর্থই হল বড় ভেজাল । আমি চাই তা মিল করতে , একজন কর্মজীবী আয় করে তার থাকার জন্য একটি বাসস্থান বানাতে পারে , বা ক্রয় করতে পারে । এমনটা হওয়া হওয়া চাই । তবে, বিপ্লবী সরকার হওয়া খুব প্রয়োজন । উনার দ্বারা হয়ে উঠবে না ।
ছাত্র ইউনিয়ন এর প্রতি গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল
আমরা একসময় সমাজতন্ত্র নিয়ে সংগ্রাম, মিছিল করেছি, তাদের জন্য আমার এই বই রহিল । সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা লিখে দিলাম । এর মধ্যে, ধনী শ্রেণী প্রাধান্য পাবে এবং মধ্যশ্রেণী ও শ্রমিক শ্রেণীদের বাঁচার অধিকার বাস্তবায়ন করা হবে । এই হল সমাজতন্ত্র । আমার এই বই এর মধ্যে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা লিখা হয়েছে । এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করে আমরা আমাদের বাঁচার অধিকার পাব । গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল ।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা আমাদের উন্নতি করা প্রয়োজন
১। স্থানীয় সরকারের অধীনে শিক্ষা ব্যবস্থা দায়িত্ব সম্পূর্নভাবে ছেড়ে দেওয়া ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত । এরপর, ১৬ থেকে ২২ বছর দ্বিতীয় ধাপে ।
২। স্থানীয় সরকার আমাদের গ্রামগঞ্জ কে ইউনিয়ন পরিষদ এর মাধ্যমে পরিকল্পিত ভাবে আর অধিক আবাসন ব্যবস্থা বাড়াতে পারেন এবং ভাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে পারেন , একটা আয়ের ব্যবস্থা হতে পারে মানুষের জন্য ।
৩। স্থানীয় সরকারের ব্যবস্থাপনায় ডাক্তারখানা ব্যবস্থা দিয়ে জনগনের সুরক্ষা দিতে পারে যে প্রকার ৬০ থেকে ৭০ দশক পর্যন্ত ছিল । এখন আরও বেশি সেবা প্রদান করা সম্ভব ।
৪। স্থানীয় সরকার জনগণের জন্য প্রচুর পরিমান খেলাধূলার ব্যবস্থা করতে পারে ।
৫। স্থানীয় সরকার জনগণের মধ্যে কর্মব্যবস্থা শিখাতে অনেক ব্যবস্থা নিতে পারে ।
৬। স্থানীয় সরকার ম্যজিট্রেট ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অনেক বিচারিক ব্যবস্থা দিতে পারে , গ্রাম আদালত পরিহার করতে পারে ।
৭। স্থানীয় সরকার, অসহায় ব্যক্তি বা পরিবার কে সকল প্রকার সাহায্য দিয়ে সহায়তা করতে পারে ।
আমি এমন সরকার চাই । অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ,বিচার ও প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা করা হবে । বিনিময়ে ৫ টা করে ন্যাশনাল ইনস্যুরেন্স দিতে হবে । নিম্ন আয়ের থেকে মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করলে আমাদের দেশের চিত্র বদলে যাবে । আমরা উপনিবেশিক শাসন আমল থেকে বের হতে পারবো ।
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা
জনাব, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ,
আজ সংবাদের সম্পাদকীয় তে একটি প্রতিবেদন পড়লাম । তারপর গুগোলে গিয়ে সবকিছু দেখলাম , এতকিছু দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনা আছে আপনার অধীনে , এত মন্ত্রণালয় আপনার কাছে যেন বিশাল সচিবালয় । উপজেলার জন্য শাসনকাজ করিতেছেন । আমার মনে সারা দেশের বেলাতেই এমন আছে ।
তবে, আমি যখন ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত সংগ্রাম করতে ছিলাম ছাত্র জীবনে , অন্ন চাই, বস্ত্র চাই , শিক্ষা চাই , বাসস্থান চাই, চিকিৎসা চাই , বিচার চাই , যেগুলো ছিল মৌলিক নাগরিক অধিকার , সেগুলো বাস্তবায়ন চাই । আজ ২০২৫ এ এসে ও হতাশ থাকতে হল আমাকে, দেশের ৯০ ভাগ নাগরিকদের জন্য কল্যাণ আনতে সক্ষম হল না আমাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থা । আমার মনে আছে তখন ১৯৬৬ সালের এক দিন , এক মহিলা আমার উঠানে ভিক্ষার জন্য আসলেন । আমি দেখে বললাম আপনাকে তো ভিক্ষা করার মত দেখায় না , উত্তরে বললেন , আমার ঘর বাড়ি নদী ভেঙ্গে নিয়ে গেছে আমি অসহায় । পরে জিজ্ঞেস করলাম, কোথায় বাড়ি আপনার উত্তরে বললেন চানপুর । আমি তাকে কিছু চাল দিয়ে বিদায় দিলাম । কিন্তু আমার মন থেকে অসহায় হওয়ার শব্দ টা আজ বেঁচে আছে । কিন্তু আমার মন থেকে অসহায় হওয়ার শব্দ টা আজ বেঁচে আছে ।
উপজেলার অধীনে এত বড় ব্যবস্থাপনা আছে, যা ইউনিয়ন পরিষদের কাছে নেই । তাই আমি মনে করি , ইউনিয়ন পরিষদ স্থগিত রেখে সকল প্রশাসনিক কাজ ও সেবা প্রদান করা সহজ হবে ।
ভোট দেওয়ার গণতন্ত্র চাই না , সম্পদের অংশ চাই । রাজস্ব আদায় থেকে সকল নাগরিকগণ দের জন্য একটা অংশ চাই । গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল তা দিবে সকলকে । আমি সকল সচিবদের ও কাস্টম কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলকে অব্যাহতী দিতাম । ভাতা দিয়ে রাখতাম আর নতুন করে কম সংখ্যক কর্মচারী কাজে লাগাতাম কারণ এরা সবাই অসুস্থ, সবাইকে কর্মবিরতি দিতাম এবং কোনো বিদেশীদের সাথে দেখা করার কোনো সুযোগ রাখতাম না । বিদেশী দেখা করবে , একসাথে পাঁচজনের সাথে । লুকালুকি খেলা রাখতাম না । আপনার কথা শুনেছি ।
গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল
সরকার গঠন করলে , সরকারীভাবে সকল প্রকার ভর্তুকি বন্ধ করবে । ব্যবসায়ীরা তারা যার যার ব্যবসা করবেন , আমদানি রপ্তানি তারা তাদের মত করবেন কোনো প্রকার ভর্তুকি হবে না । সরকারী সকল প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া অর্থ প্রতিদিন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা হবে বাধ্যতামূলক ।
আমি একমত হতে পারি না , অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের পরিধি কি কি হতে পারে । আমি এই স্থানে হলে , প্রথমেই বিপ্লবী সরকার গঠনের কথা বলতাম এবং সারা দেশের হাজার নেতাকর্মী , বড় – উচ্চপদের লোকের সমাবেশে প্রস্তাব দিতাম , কি প্রকার প্রশাসনিক ব্যবস্থা চাই ।
আমাদের ভারতবর্ষে সকল দেশেই সমাজে শোষণ ব্যবস্থা চলমান আছে । কোথাও সম্পদ পুনরাবৃত্তি করার ধান নেই । তাই আমি মনে প্রাণে চাই আমাদের দেশের প্রশাসন ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে । যাহা পৃথিবীর অন্য দেশে প্রচলিত আছে তাহলে আমরা কেন পারবো না । আমরা শান্তিপূর্ণ সমাজব্যবস্থা চাইলে আমরা কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারি । কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করিলে ধীরে ধীরে সবকিছু শান্ত হয়ে যাবে । আমি যুক্তরাজ্যে বাসকরি ৫০ বৎসর যাবত আর তাই আমি লালন করছি । আমার এই ব্যবস্থা যুক্তরাজ্যের ব্যবস্থা , আর তাই আমি গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল বই লিখছি । সেখানে আমি বলেছি , অন্ন , বস্ত্র , বাসস্থান , শিক্ষা , চিকিৎসা , বিচার ব্যবস্থা ইউনিয়ন পরিষদ এর অধীনে থাকবে । তারা সকল কিছু বাস্তবায়ন করবে । আর অন্য কিছু থাকবে না । নির্বাচন ব্যবস্থা সবকিছু স্থানীয় সরকার করবে । আমরা সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ হই এবং কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করি ।
গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল মনে করে, সকল প্রকার ছাত্র সংগঠন ও শ্রমিক দল , ছোট ছোট সংগঠনকে রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা খুব জরূরী । জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে । এই সংস্কার করা ভালো । যে নিয়ম-কানুন করতে চাইতেছেন , এইগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করবে কারা , কেউ তো পাহারা দিবার মত নেই তাহলে কি হবে । সকল সিটি কর্পোরেশন , পৌরসভা যে পরিমাণ অর্থ আদায় করে থাকেন , এই অর্থ তারা পৌরসভা ও কর্পোরেশন এর নাগরিকদের জন্য ব্যয় করলে শান্তি আসতো । স্কুল খরচ , আবাসন খরচ , চিকিৎসা , ঔষধপত্র দিয়ে সকল অর্থ ব্যয় করা হবে অনেক বড় সেবা দেওয়া । নাগরিকগণ কে শান্তি দিতে কাজ করা হল পবিত্র রাজনৈতিক কাজ ।
স্যার, আপনার সাথে শুধু সংযোগ করলাম এ জন্য যে , দেশে আর কোনো দলকে আমি যোগ্য মনে করি না । আজ আমার এক ডায়েরী তে আপনার দলের নাম ও ফোন নাম্বার লিখা দেখলাম , এবং মনে হল আমার কোনো এক পরিচিত ব্যক্তি দলের নাম টি দিয়েছিলেন , কিন্তু সেটা তিন বৎসর আগে লিখা । আমি , মাত্র গত ২ মাস হলো , আপনার ইউটিউব দেখে বুঝতে পারলাম আপনাকে । কিন্তু আমি মনে করি , মানুষ কি শুনতে চায় , এবং কি শুনে তার শান্তি ও শক্তি আসে , অপরের দোষ , অপকর্ম শুনে আমার কি করার আছে । তার প্রতিবাদ ও বিপ্লব করতে পারে , এবং করেছেন । তো কি হয়েছে , এই যে প্রধান উপদেষ্টা শপথ গ্রহণ ও সরকার গঠন করলেন এই সব কিছু হাইজক করা হয়েছে । মন্ত্রণালয়ের ভিতর এমন পরিকল্পনাকারীরা দিনরাত্র কাজ করতেছে । তারা জানে কি প্রকার হাইজাক করে তাদের স্বার্থ রক্ষা করা যায় । আর তাই হইতেছে । এখন এই সরকার যে সংস্কার করতেছেন তার কোনো বৈধতা নেই । কারণ বিপ্লবী সরকার যতক্ষণ পরাজিতদের বিচার করে শাস্তি না দিয়েছে , ততক্ষণ যুদ্ধের ময়দানে আছেন বলে মনে করা যায়, শেষ হয় নাই ।
এখন নির্বাচন হয়ে গেলে নির্বাচিত দল আবার এদের বিচার করতে পারে । কিন্তু এক সরকারের কোনো কাজ বৈধতা পাবে বলে ইতিহাস বলে না । CROMWELL our Chief of Man, তিনি বিপ্লব এর পর বিচার করেছিলেন এবং ৫৩ জন মন্ত্রীদের স্বাক্ষর নিয়ে বিচার কাজ সমাপ্ত করেছিলেন । তারপর সংস্কার করেছিলেন । অনেক কিছু বলার ছিল কিন্তু বলবো না । আমি দেখতেছি , জাতিগত ভাবে ভবিষ্যৎ পরিষ্কার নয় । সবকিছু খুব কুয়াশা যুক্ত পথ । নির্দেশনা ভুল পথে চালিত হইতেছে । গত তত্বাবধায়ক সরকার বিচার করে নাই , এজন্য তাদের কে প্রাণ দিতে হয়েছে ।
Leave a Reply