প্রিয় দেশবাসী, আমাদের দেশে ৬০ থেকে ৭০ পর্যন্ত যত হাওর, বিল, নদী-নালা ছিল তা আর নাই । সে জন্য পানি শূন্য জমি ভূমি স্থলে পানি না থাকার কারণে আজ আরও গরম পাওয়া যাইতেছে । আমাদের প্রয়োজন হাওর বিল, নদী-নালা আবার জীবিত করা । শুধু কর্জ করে টাকা এনে কোন সমাধান হবে না । মানুষের জন্য কর্জ এর বোঝা বাড়বে । প্রতিদিনের খরচ বাড়বে, স্থলভূমিতে পানি চাই, গ্রামবাংলার গণতান্ত্রিক দল ।
বাংলাদেশের জন্য সকল পরিবার যদি নিজ নিজ খাদ্য ও কাপড়-চোপড় তৈরি করতে পারতেন তা হলেই পরিবেশ রক্ষা হতে পারত । মেশিন দিয়ে নয়, নিজ নিজ শ্রম দিয়ে । তা হলে তো বৈষম্য কমে যেত, বেকার কেউ থাকতে হতো না , এবং প্রশাসন ব্যবস্থা এত পরিধি হওয়ার প্রয়োজন হতো না । যেখানে একটি মাত্র স্থান হলেই হতো । একমাত্র ইউনিয়ন পরিষদ সকল প্রকার সেবা প্রদান করতে পারে । উপজেলা থাকার কোনো প্রয়োজন নাই । একমাত্র সরকারি স্তর প্রসারণ করার জন্য করা হয়েছে । ক্ষমতাবান লোক তৈরী করা হয়েছে , জনসাধারণ এর উপরে । কর আদায় করা হয় জনগনের কাছ থেকে কিন্তু জনগনের জন্য ব্যয় করা হয় না । আমার সরকার গঠন করা সম্ভব হলে, সকল অর্থ জনগনের জন্য ব্যয় করার ব্যবস্থা নিতাম । এবং পরিবেশ রক্ষা করার জন্য সকল প্রকার ব্যবস্থা নিতে পারতাম । কিন্তু আমার লেখার কোনো সমর্থক পেলাম না । আমি এমন একটা রাষ্ট্র ব্যবস্থা করতে চাইতেছি, যেখানে সবার জীবন-জীবিকার উপায় থাকবে । দেশে থেকেই সুখ- স্বাচ্ছন্দ আনতে পারে এই মানুষ জাতি । প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ হওয়ার , এক সুরে কথা বলার । আমি মনে করি না সব প্রকল্প এর জন্য টাকা কর্জ করার দরকার । বন্যা আমরা তৈরী করেছি, আমাদের সমাধান করতে হবে । উপরে বসা লোকজন আমাদের সমস্যা সমাধান করবে না । তারা আরও সমস্যা তৈরী করবে ।
প্রিয় দেশবাসী, আমার সরকার গঠন হলে, দেশে যত পাকা রাস্তা আছে, যথাসম্ভব রাস্তাকে আরও বেশী করে কাজে লাগাবো । আবাসন ব্যবস্থা করে জমি বাচাবো, এই আবাসন ভাড়া দেওয়ার জন্য হবে, এবং গ্রামগঞ্জে আবাসন তৈরী করবো । শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী করবো এবং ইউনিয়ন পরিষদ এর অধীনে সবকিছু থাকবে । জমি বাচাবো, কর্মসংস্থান বাচাবো । যেসব ব্যপার দেখার কেউ নেই, সেখানে দেখার জন্য, এবং সমাধান দেওয়ার জন্য থাকবে ইউনিয়ন পরিষদ । গ্রামবাংলার গণতান্ত্রিক দল । সকল অধিকার আদায়কারী সংগ্রামী ছাত্রজনতা সকলের কাছে আহবান করি । সামরীক বাহীনি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে শায়েস্থা করার জন্য । এই অবস্থায় খালি হাতে প্রতিরোধ করতে কি ভাবে পারবেন । তাই সকলে মিলে ঘরে সবে বাড়ীর আঙ্গিনায় থেকে দিনানিপাত কর, বাহিরে যেও না । সকল স্থরের মানুষ এই প্রতিবাদ করতে হবে । ঘরে বসে হাট-বাজার , শহর, বন্দর সকল কিছু জনশূন্য থাক ৬ মাস । আর সরকার গঠন করতে হবে নতুন করে । নতুন করে সরকার গঠন না করতে পারলে, এই সরকার ছাত্র জনতা কে এতটাই শাস্তি দেবে রক্ত বন্যা বয়ে যাবে । রক্ষা পাবে না কেউ । পিলখানার মত অবস্থা হবে । তাই সরকার গঠন করা এবং দেশ পরিচালনা করা অপরিহার্য । জীবন পেতে হলে, পুরাতন দল দিয়ে সরকার গঠন করলে ও রক্ষা হবে না, সবকিছু নতুন করে করতে হবে । রাষ্ট্র পরিচালনা নতুন ধারায় পরিচালিত করতে হবে । সহজ- সরল হয়ে যেওনা , তাদের কনো কথায় কান দিও না, উচ্চ আদালত রায় দিবে তাদের জন্য , জনগণের জন্য দেবে না । নতুন সরকার গঠন হলে, সকল প্রকার সংস্কার করা সম্ভব হবে । একটি দাবী তে কোন প্রকার সফলতা আনতে পারবে না । ক্ষমতা তাদের হাতে থাকলে , ছাত্রজনতা বিচারিক ব্যবস্থায় শাস্তি পাবে । রাষ্ট্র পরিচালনার ধরণ বদলানোর প্রয়োজন যেখানে এক গোষ্ঠী মানুষ ক্ষমতার ব্যবহার করতে না পারে । সেই ব্যবস্থা তার জন্য গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল সংবিধান তৈরী করে রেখেছে । এই সংবিধান বাস্তবায়ন করা হলে আমরা সকল গোষ্ঠী বেচে যেতে পারি । গ্রামবাংলার গণতান্ত্রিক দল এর সংবিধান বাস্তবায়ন করা আমদের খুব প্রয়োজন । সে জন্য গণভোটের প্রয়োজন নেই । সংগ্রামী ছাত্রজনতা এই গণভোটের অধিকার আদায় করতে সক্ষম হবে ।
Leave a Reply