লেখকঃ- মিয়া মোহাম্মদ আকলিছ হাছান

সূচীপত্রঃ-
১। গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দলের আহ্বান-
২। বাংলার সকল স্তরের মানুষের কাছে আহ্বান করছি-
৩। রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো-
৪। তিন ধাপের প্রশাসনিক ব্যবস্থা-
৫। শিক্ষা ব্যবস্থা-
৬। ভূমি প্রশাসন-
৭। কৃষি মন্ত্রনালয়-
৮। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়-
৯। বিচার বিভাগ-
১০। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়-
১১। শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রনালয়-
১২। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়-
১৩। ধর্ম মন্ত্রনালয়-
১৪। ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকুন-
১৫। আদর্শ ইউনিয়ন কাউন্সিল গঠনের রূপরেখা-
১৬। ইউনিয়ন কাউন্সিল প্রথা প্রবর্তনের প্রাসঙ্গিক কথা-
১৭। আমার গ্রামবাংলা প্রতিচ্ছবি-
১৮। ট্রেজারী-
১৯। অর্থনৈতিক মুক্তি আনয়নের জন্য আমাদের করণীয় বিষয় সমূহ-
২০। জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের করণীয় বিষয় সমূহ-

21 | Citizen Award for Contribution to the Society (CACS)

শিক্ষা কমিশন

শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়ন ও উপরোক্ত পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য সমগ্র দেশে ১৬টি শিক্ষা কমিশন থাকবে। যারা কিনা নিজ নিজ এলাকার কার্যক্রম তদারকী করবেন এবং সকল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন। এলাকার কোন কোন স্থানে প্রতিষ্ঠান করা প্রয়োজন সে বিষয়ে কাউন্সিলের সাথে মিটিং করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। শিক্ষা সংক্রান্ত কারিকুলাম ইউনিয়ন কাউন্সিল শিক্ষা কমিশন ও সুপ্রীম কাউন্সিল যৌথভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
আমার জীবনের ৫০ বৎসর পূর্বে গ্রামে গঞ্জে আমি দেখতে পেয়েছি সুস্থ্য, সবল ও সুঠাম দেহের অধিকারী মানুষ এবং প্রায় লোকেরই কর্ম চাঞ্চল্য ছিল। এই ৫০ বছর দেখতে দেখতে মানুষ তিলেতিলে দূর্বল হয়েছে। আজ ৫০ বৎসর পর তাদের পরবর্তী বংশধররা তিলে তিলে ক্ষীণ ও দূর্বল হয়েছে এবং মন মেজাজে তিক্ততায় ভরা। এমনভাবে যদি চলতে থাকে আজ থেকে আরও ৫০ বছর পর হয়তো বা কঙ্কাল হয়ে যাবে বাংলার মধ্যজীবি শ্রেণীর মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী এবং স্বয়ং নিজে অনুভব থেকে স্বীকার করতে হয় জিঙ্ক, আয়রন, ভিটামিন, এ, বি, সি ও ডি ক্যালসিয়াম ইত্যাদির কোনটাই পুরোপুরি তাদের খাবারের মধ্যে পাচ্ছে না। এই সূত্র ধরে মধ্যজীবিরা তাদের চিন্তাশক্তি এবং বুদ্ধিমত্তা ক্রমে ক্রমে হ্রাস পাচ্ছে। এভাবে দেখতে থাকলে মধ্যজীবিদের অস্তিত্ব টিকে থাকা দায় হবে।

আমরা প্রবাসে বসবাস করে বাংলাদেশের সেরা মানের তরীতরকারী, মাছ ও ফল ইত্যাদি আমরা বিদেশে পাই চাহিদার চেয়ে ৪ গুণ বেশি। কারণ এই দ্রব্য সামগ্রী পাউন্ড বা ডলারে আমরা ক্রয় করি। এইজন্য আমাদের দ্রব্য সামগ্রীর কোন অভাব নেই। অথচ পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে মাছ ও তরীরকারী ইত্যাদির কোন অভাব নেই। ব্যবসায়ীগণ দ্রব্যমূল্যের উচ্চ দাম পাওয়ায় বিদেশে দ্রব্য রপ্তানী করছেন। যার ফলে দেমের অভ্যন্তরে আভ্যন্তরীন বাজারগুলোতে নিম্নমানের মাছ ও তরীতরকারি ও ফলমুল ইত্যাদি চড়া মূল্যে ক্রয় করতে হয়। এই উচ্চ মূল্যের দ্রব্যাদি সবাই ক্রয় করতে পারে না এবং এই সকল দ্রব্য সামগ্রীতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন রয়েছে তা থেকে বঞ্চিত হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার না পাওয়াতে মানুষের পাকস্থলী ক্ষীণ হতে থাকে। পরিশেষে সে ঔষধের শরণাপন্ন হয়ে ঔষধ সেবনকে সে জীবনের শেষ সঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়। এটিই হলো এ সমাজ ব্যবস্থার প্রতিফল। মানুষের দেহে প্রত্যেকটি অরগান আছে এবং এই অরগান গুলো প্রত্যেকটি রোগ জীবানুকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রাখে। যখন মানব দেহের এই অরগানগুলো দূর্বল হয়ে যায় তখন আর কোন চিকিতসাই তাকে সবল করতে পারে না। শেষ পর্যন্ত টাকা পয়ঁসা খরচ করে নিঃস্ব হয়ে পড়ে।

আমি যখন বিদেশের বাজার থেকে বড় একটি মাছ আনি আমার ঐ মাছটি আহার করতে খুব দুঃখ ও কষ্ট হয়। আমার প্রতিবেশীরা দেশের বাড়ীতে এইসব মাছ তারা চোখে দেখছেন না। ৩০ বছর আগেও তারা এই সকল মাছ আহার করছে। আমি মনেকরি এই মাছটি না আহার করাই আমার জন্য ভাল। কিন্তু আমি একা পরিহার করলে বাজারের কিছু আসে যায় না। যদি সবাই মিলে বর্জন করি তাহলে দেশের বাজারে আবার গিয়ে বিক্রি হতে পারতো। বিদেশে রপ্তানী করার নাম করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে ১৯৯৩ সালে ২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সুদ দেয়া হয়েছে। এই ঋণ গ্রামবাংলার মানুষের জন্য করা হয়নি। কিন্তু পরোক্ষভাবে গ্রাম বালার মানুষের নামে করা হয়েছে। গ্রামবাংলার মানুষ পরোক্ষভাবে কর দিয়ে সুদ দিচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে বাংলার মায়ের মুখের খাবার কেড়ে নিয়ে বিদেশে রপ্তানী করা হচ্ছে।
“গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দলের” নেতৃত্বে রপ্তানীকারক দ্রব্যসমূহ পৃথকভাবে উতপাদন করার ব্যবস্থা করা হবে। যাতে করে গ্রামবাংলার মানুষের চাহিদার উপর কোন অভাব না করে এবং দৈনন্দিন ব্যবহারকারী দ্রব্যের উপর থেকে কর কমানোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। কৃষকদের উৎপাদিত দ্রব্যের যেমন:-ধান, পাট, শাক-সব্জি, মাছ-মাংস ও দুধ ইত্যাদি উৎপাদিত এ খরচের ধিু দাম পরারপ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এতে করে গ্রামবাংলার মানুষের কর্মশক্তি বৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়াতে বাধ্য হবে। কৃষক কর্তৃক উৎপাদিত জিনিষের দাম কমানোর লক্ষ্য হবে না। তাদের পাশ্ববর্তী হাওর বিল ইত্যাদি এলাকার জনগণের মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। হাওর বিল নতুনভাবে কোন ইজারা দেয়ার বন্দোবস্ত হবে ন্ াতবে রপ্তানী ও বাজারজাতের জন্য উপযোগী ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং নিজ নিজ কর্মসংস্থানের জন্য সুযোগ করে দেয়া হব্ েআমি চাই বাংলার প্রতিটি পরিবার অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করে স্বাবলম্বী হউক। সংসদ সদস্যগণ ইউনিয়ন কাউন্সিলের জনসেবায় থেকে সংসদে কাজ করা আর্থিক সহযোগিতা আনা আইন রদ বদল করার সহযোগিতা তাদের প্রতিনিধি হয়ে ওই কাজ করে নিজের সংসার চালিয়ে যাওয়া। (রাজনীতি করা মানে) সমাজ সেবা করা তারজন্য সমাজের উপর বোঝা হয়ে থেকে কাজ করা নয়। সংসদ চলাকালীন রাজধানীতে অবস্থান করবেন এবং এই খরচ জাতি বহন করবে। এরপরও একটা মাহিনা পাবেন। বাকি দিন জেলা ও ইউনিয়নে থেকে কাজ করবেন। আবার এটা তো প্রতিদিন এতো কাজ থাকবে না। রুটিন মাফিক কাজ করে সেবা দান করা সংসার চালানোই হল জীবনের সাধ। স্বাভাবিক জীবন যাপন করা মহৎ। বর্তমান ব্যবস্থায় ব্রিটিশ শাসন আমলের নৈতিকতা অবলম্বন করা ও ব্যবহার করা হয়েছে এটা আর চাই না। বাংলার মানুষের নৈতিকতা অবলম্বন করা চাই। আমার ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান সাহেবকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি না। যাহা শুনি তিনি মহৎ ব্যক্তি। যতই শুনেছি ততই ভালো লেগেছে। তার মত নৈতিকতার লোক চাই। তাদের মত লোক হবেন আমাদের সদস সদস্যগণ আমাদেরকে এনে দেবেন এবং অন্যের জন্য রাখবেন। এতে মনক্ষুন্ন হবেন না এটাই চাই। তাদের কাজ জাতীয় পর্যায়ে চলবে এবং জাতীয় কাজে সচেতন থাকবে। এই সকল সংসদ সদস্যগণ থেকেই সুপ্রিম কাউন্সিলর বানানো হবে। প্রতি জেলা থেকে সুপ্রিম কাউন্সিল হল জাতীয় কাজের আয় উন্নতির বড় ছাদ। তারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন ব্যবসা বাণিজ্য আমদানী রপ্তানী কোন ধারনের কাজে আবদ্ধ বা সন্ধি করা ইত্যাদি এই বয়সের অভিজ্ঞ লোক সারা দেশ ও জাতির স্বার্থে চিন্তা করে যতটুকু দরকার এবং যতটুকু স্বার্থে কুলায় ততটুকু করবেন। কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠির স্বার্থে কোন জাতীয় স্বার্থকে বলি দেবেন না। এটা আমার অন্তরে বিশ্বাস। দুনিয়ার সাথে স্বার্থ করা জাতি হিসেবে চলা এবং সম্মান পাওয়া আমাদের জন্য অতি জরুরী। তাই সুপ্রিম কাউন্সিল সবদিন রাজধানীতে থাকতে হবে না সকলের। ধারাবাহিক থাকতে হবে। দৃষ্টি রাকার জন্য প্রশাসনের উপর। অহরহ বৈদেশিকদের সাথে সময় কাটানো দরকার নেই।
সংসদ সদস্যগণ ও মন্ত্রনালয় কমিটি (কেবিনেট) সারাক্ষন কর্মরত থাকবেন। কিন্তু ৮ ঘন্টা বা ১০ ঘন্টা দৈনিক, সপ্তাহে ৪০ থেকে ৪৫ ঘন্টার এর উপর কাজ নয়। বিকেল বা সন্ধ্যাার পর কোন সরকারী কাজ চলবে না। সেই সময় হল নিজ নিজ পরিবারের সাথে থেকে মনোনিবেশ করা। এতে করেই আমাদের জাতীয় সান্তনা আসবে।

বর্তমানে যা দেখা যায় তা হল ইংরেজ আমলের অভিজাত শ্রেষ্ঠত্বের নমুনা, আর এটাই অবলম্বন করা হচ্ছে। মন্ত্রনালয় কমিটি এই কাজ করবেন যা সংসদ বা সুপ্রিম কাউন্সিলে অনুমোদিত হয়েছে। সুতরাং টাকা কর্জ করে জাতীর নামে দিন ও রাত লোক দেখাতে হবে না। বিদেশীরা তাদের স্বার্থের জন্য ঘোরা ফেরা করে ব্যস্ত থাকে ও আমাদেরকেও রাখে। আমরা আমাদের স্বার্থের জন্য তাদেরকে সময় দেবো। আমাদের সময় অনুযায়ী। এটাই হবে আমাদের নৈতিকতা। স্ব-স্ব জেলার জন্য প্রযোজ্য হবে সংসদ সদস্যগণ হতে পারেন ৩০,৪০ ও ৫০ সংখ্যা যাই হয় তাদের মধ্য থেকে তারা মনোনীত করবেন ২জন সুপ্রিম কাউন্সিল ২ বৎসরের জন্য। এরা পূণরায় নির্বাচিত হতে পারবে এবং বদলি করতে পারেন।

নমুনা হলো ইউনিয়নের কাউন্সিলরগণ মনোনীত করলেন সংসদ সদস্যগণ যার সেবা জ্ঞান বিবেক বিবেচনা না পাওয়ার জন্য আর সংসদ সদস্যগণ মনোনীত ও নির্বাচিত করলেন সুপ্রিম কাউন্সিলর অনুরূপ তার সেবা পরারপ জন্য। তার শিক্ষা-দীক্ষা যাই থাকুক না কেন তাতে কিছু আসে যায় না। কারণ জ্ঞান বিবেক বিবেচনা প্রতিভা শুভ চিন্তা সচেতন হলেই আমাদের কাজ হয়। বিদেশী ভাষায় কথা বলতে পারে কি না তাতে কিছু আসে যায় না। তার জন্য পন্ডিত মহাশয় আছেন।

আর বর্তমান ও গত ৫০ বৎসরের শাসন আমল হল দল বা সামরিক সরকার রাজধানী থেকে বেছে নিয়ে দাড় করালেন দলের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করুন এবং জয়যুক্ত করানোর জন্য অজস্র অর্থ জনগণের কোষাগার থেকে ব্যয় করে স্বল্প কালীনের জন্য জনগণের কাছে ভাল লোক সাজা আর ক্ষমতার ফায়দা নিয়ে বেঁচে থাকা। দলের উপর থেকে মনোনীত করা ও হওয়া সেটা হলো তাদের স্বার্থের জন্য। আর গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দলের মনোনীত হলো জনগন যাকে স্বেচ্ছায় প্রতিনিধি করবেন, সেই ব্যক্তি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাজে আসবে। জনগনের আয় উন্নতি রক্ষা করার জন্য। তার মেধায় শরিক হওয়ার জন্য তার সেবা পাওয়ার জন্য। তিনি টাকা পয়সা খরচ করে দুয়ারে দুয়ারে ভোট ভিক্ষা চাইবেন না। এটা হলো গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দলের ধারা ও ধনতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা তৈরি করা। গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল চায় সকল পরিবার ধনী হয়ে থাকুক।

প্রধানমন্ত্রী সর্বক্ষণ ব্যস্ত থাকবেন মন্ত্রনালয় কমিটির সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা, তদারকী করা, যেমন শুরু করা কাজ শেষ করা। যার যার দপ্তরের কাজ দ্রুত শেষ করা। অভিযোগ থাকলে সুপ্রিম কাউন্সিলর অবগত করা। তারা জিজ্ঞাসাবাদ করে সমাধান আসবেন।
বাজেট তৈরি করা বিভিন্ন দপ্তরের চাহিদা অনুযায়ী আলোচনা সাপেক্ষে হবে। ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট তৈরি করবেন (এখানে অর্থমন্ত্রীর পদ না) হলে ভাল এবং প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে আবেদন করবেন তা বিবেচনার জন্য।

সুপ্রিম কাউন্সিলের কাছে পাঠাবেন বিবেচনা ও যক্তি সঙ্গত কিনা এমপি অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় মতামত নিয়ে জানবেন। কারণ বাজেট মানে কর বসানো, কি জন্য জনগন কর দেবে তাই তারা বিবেচনা করতে হবে। হা আমাদের জনগনের স্বার্থে এই কর মেনে নেয়া হবে। বা কর কমানো হবে ইত্যাদি জানার ৩ মাস সময় পরে প্রধানমন্ত্রী সর্বসম্মতিক্রমে যা হয়েছে ফলাফল পড়ে শোনাবেন জানাবেন। ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট সে অনুযায়ী কাজ করে যাবে এবং ঐদিনই হবে বাজেট। আর নির্বাচনের জন্য বাজেট হয় ৫০ কোটি টাকা সব জিনিসের দামের উপর কর বাড়ানো আর বৈদেশিক গ্রহণ করা, বা দেশের সম্পদ জনগন খেতে পারুক বা না পারুক তা কিছু আসে যায় না।

Cabinet

  1. Committee on defiance and expenditure.
  2. Committee on intelligence service and expenditure for national & international security of nation.
  3. Committee on Economic Affairs Development for Nationhood & Union Council and Expenditure.
  4.  Committee on Energy policy Gas, Electricity, Export & Export labour.
  5. Committee on environmental & health Brick Field, Diesel, Bus, Truck, Horn using, loud speaker using.
  6. Committee on Local government Union Council.
  7. Committee on Home and Social Affairs.
  8. Committee on national planning control (district base).
  9. Committee on Education (District).
  10. Committee on District Council for MPs.
  11. Committee on all city planning and building regulations & control road, highway, bridge & market etc.
  12. Committee on JNB Jono Nirapatta Department.
  13. Committee on Culture, media, leisure & cinema.
  14. Committee on Home Affairs.
  15. Committee on Religion.
  16. Committee on Justices and Jury System.
  17. Committee on Agriculture.
  18. Committee on Income Tex.
  19. Committee on Banking and Stock Exchange.
  20. Committee on Land Admission.

In reality cabinet can’t take all decision holding PM in check constitutionally and find authoritative forum for resolution of

এইসব পদ পূরণ করা হবে স্ব-স্ব দপ্তর যারা পরিচালনা করবেন। ৩ ধাপে স্ব-স্ব ডিপার্টমেন্টে চাকুরীতে নিয়োগ করবেন আর এই মেয়াদ ২ বৎসরের জন্য ২ বৎসর পর আবার নতুন করে নিয়োগ করা হবে তবে ৬ বৎসর পর নবায়ন করা হবে না। কোন আপিল ও গ্রহণ হবে না। স্ব-স্ব ডিপার্টমেন্টে নিয়োগ করলে উন্নত মানের কর্মফল পাওয়া যাবে। তার ডিপার্টমেন্টের কাজ বুঝে এবং ঈযধষষবহমরহম করতে পারে এমন ব্যক্তি নিয়োগ করবেন। নিজ ও নিকট আত্মীয়কে নিয়োগ করা যাবে না।
মহাশয়কে প্রধানমন্ত্রী পাশ করিয়ে দিলে তাদের সেবাই করতে হয় বার বার সালাম জানাতে হয় কারণ তারা ইংরেজ আমল থেকেই সম্মান ও সেবা পেয়ে অভ্যস্থ্য হয়ে গেছেন। তারা জনগনের সেবা করা এই কথা চিন্তা ও করতে পারেন না। ইলেকশনে তারা কত কিছু এলাকার জন্য দিবেন জনগনকে খুশি করে দেবেন। কিন্তু এই জনগন এই ধরনের বোঝা বহন করবে। জনগনকেই শুধু দিয়ে যেতে হবে। এই জন্য নির্বাচনে গিয়ে মুধুর কথা শোনা ভাল নয়। নির্বাচন করা ভাল নয় এমন ভাবে চল যেন এখানে কিছুই হচ্ছে না। ইতিহাসে কোন ব্যক্তির নাম আসা, লেখা মহা গৌরবের বিষয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের সেবায় আসার জন্য বয়স শিক্ষা, কর্ম জীবনের অভিজ্ঞতা, সংসার জীবনের অভিজ্ঞতা, জীবন-যাপনের নৈতিকতা সব মিলিয়েযখন নেতৃত্ব দেয়। যখন ছোট বড় সব মুরব্বীদেরকে সম্মান প্রদর্শন করতে পারবে, আচার ব্যবহার দিয়ে মানুষের মন জয় করতে পারে তখনই এলাকার মানুষ তাকে আন্তরিক সম্মান প্রদর্শন দেখায় সর্বকালের জন্য এটাই চিরসত্য। তাই লেখাপড়া করার পর ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়ে জাতীয় পর্যায়ে যাওয়া সঠিক হয়। আর বয়স ও দায়িত্ব হওয়ার সাথে সাথে পড়া লেখা র্চ্চা করা হল জ্ঞান অর্জন করা।

আশাবাদী

আমি সর্বদা দেশের ৬৮ হাজার গ্রামকে চোখের সামনে রেখে চিন্তাকরি। ৬৮ হাজার গ্রামের উন্নতি হলে শহরকে নিয়ে আর সমস্যা হবে না। দেশের এই করুন ও অসহায় অবস্থায় সকল জনগনের সচেতন হওয়া খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে। আমরা প্রবাস জীবন থেকে যা শুনি এবং পত্র-পত্রিকায় যা পড়ি এবং দেশে গিয়ে প্রত্যক্ষ যা দেখি এতে প্রকাশ পায় বাংলার মানুষ আজ দৈনন্দিন জীবনের চাহিদাগুলো মেটানোর জন্য প্রতিবাদ মুখর হয়ে উঠেছে। প্রবাস জীবনে আমরা কত সুখ শান্তি ও নিরাপত্তায় দৈনন্দিন জীবন-যাপন করে পৃথিবীকে উপলদ্ধি করছি। কিন্তু ফেলে আসা আমাদের মাতৃভূমিকে ভূলে থাকতে পারি না। প্রবাস জীবনে এসে আমরা যে শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি তা দিয়ে আমাদের দেশের বাংলার মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন আনা সম্ভব। এমতাবস্থায় আমরা প্রবাসী বাংলাদেশের সকল স্তরের মানুষ একত্র হয়ে দেশ গড়ার মহৎ কাজে অঙ্গীকার বদ্ধ হই। এইজন্য আমাদের প্রাথমিক ভাবে সামাজিক ভিত্তি স্থাপন করা জরুরী প্রয়োজন। এই ভিত্তিই মজবুত করে গড়ে তুললে সমাজ শতশত বৎসর অগ্রসর হতে পারে। সমাজকে নিয়েই দেশের উন্নয়ন সাধন হয়। এ বিষয়ে সকলেই একমত হবেন।

গঠনাবলীঃ (ঝঃৎঁপঃঁৎব) ভৌগলিকভাবে (যাতায়াতের সুবিধা অনুযায়ী) ৪০টি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন কাউন্সিল হবে। ৪০ জন ইউনিয়ন কাউন্সিলর, ২ জন সরকারী প্রতিনিধি থাকবে। ২টি ইউনিয়ন কাউন্সিল থেকে একজন এমপি নির্বাচিত হবেন। (৪০+৪০)=৮০ জন কাউন্সিলর দ্ধারা এই এমপি নির্বাচিত হবেন। স্ব-স্ব ইউনিয়ন কাউন্সিলের উন্নতি সাধনের দায়িত্বে থাকবেন।

রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো

সিলেকশন কমিটি, সুপ্রিম কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল, মাননীয় সুপ্রিম কাউন্সিলরগণ (১০০) জন, কেবিনেট মন্ত্রী (৪০) জন, ১ জন প্রধানমন্ত্রী, ১ জন এমপি, ২টি ইউনিয়ন কাউন্সিল, ইউনিয়ন কাউন্সিলরগণ (৪০) জন ও ২ জন সরকারী প্রতিনিধি।
ব্যাখ্যাঃ-
রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাঠামোঃ- সিলেক্ট কমিটির সদস্য হবেন রাষ্ট্রের বিচারপতি, অবসর প্রাপ্ত বিচারপতি, অধ্যাপক, অবসর প্রাপ্ত সচিব, বুদ্ধিজীবি, দক্ষ ও অভিজ্ঞ সমাজ বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ এবং প্রতিথযশা সমাজকর্মী ইত্যাদি গুনীজন।

মাননীয় সুপ্রিম কাউন্সিলরগণঃ- মাননীয় সুপ্রিম কাউন্সিলরগণ হবেন ১০০ জন। এর মধ্যে থেকে ৪০ জন মন্ত্রী হবেন। বাকী ৬০ জন থাকবেন সুপ্রিম কাউন্সিলর হিসেবে।

কেবিনেট মন্ত্রীঃ- কেবিনেট মন্ত্রী থাকবেন ৪০ জন। এরা মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।
অধীগ্রহণ (এ্যাকোয়ার) করবে। অতঃপর পরিকল্পনা অনুযায়ী এই ভূমি কাউন্সিল এবং মানবাধিকার সংস্থা যৌথভাবে বিচার-বিশ্লেষন করে কাজে লাগাবে অথবা নিয়মানুযায়ী স্বল্পকালীন লীজ দেয়া যেতে পারে।

কাউন্সিলের আয়ের উৎসঃ- কাউন্সিলের আয়ের উৎস হবে যানবাহনের লাইসেন্স প্রদান থেকে। বাজারের ব্যবসায়িদেরকে লাইন্সেস প্রদান করা। কাউন্সিল কমিটি (ফুল কমিটি) তারা আয়ের উপর বিবেচনা করে লাইন্সেস ফি ধার্য্য করা হবে। যানবাহনের ফিটনেস সার্টিফিকেট দেয়ার জন্য কাউন্সিল নির্ধারিত ষ্টেশন (গেরেজ) কে দায়িত্ব দেয়া হবে। এই কাজ সম্পন্ন করার জন্য ফিস প্রদান করতে হবে। বাকী আয়ের উৎস কি প্রকার হবে সেটি সুপ্রিম কাউন্সিল সকল দিক বিবেচনা করে নির্ণয় বা নির্ধারণ করবেন। উল্লেখ্য যে সকল বিষয়ে নীতি নির্ধারণ করবেন সুপ্রিম কাউন্সিল। তবে গ্রামের বসত বাড়ির উপর কর কোনদিনও যেন ধার্য না করা হয়। ছোট ও মাঝারী জমির মালিকদের করের আওতার বাহিরে রাখতে হবে। স্থানীয় আয়ের পর সরকার থেকে বাকী অর্থ আসবে। উল্লেখ্য যে, কাউন্সিলরগণ জনগনের প্রতিনিধিত্ব করবেন, কিন্তু তারা শাসক হবেন না। জনগনের প্রতিনিধিত্বের পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং প্রত্যেক নাগরিকের অর্থনৈতিক মুক্তির পথ সুগম করা ও জ্ঞান প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার প্রয়াস গ্রহণ করতে পারেন। এটি হতে পারে কাউন্সিলরগণের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

এই মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব হবে সকল কৃষি জমি উন্নয়নের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এছাড়াও প্রত্যেকটি ইউনিয়ন কাউন্সিলে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দক্ষ কৃষি কর্মীগণ থাকবেন। কৃষিক্ষেত্রে প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য যে সকল প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি (হেলিকপ্টার, ড্রেজার, ট্রাক্টর, টেকনিক্যাল সরঞ্জামাদি) প্রয়োজন তা অবশ্যই থাকতে হবে। এছাড়াও কৃষি বিষয়ে উন্নয়নের জন্য জনগণকে পরামর্শ বা সহযোগিতা প্রদান করবেন। স্ব-স্ব এলাকার অথ্যাৎ ইউনিয়ন কাউন্সিলের উন্নয়ন কাজের (প্রত্যকটি কাজের জন্য) জন্য এমপি ও কাউন্সিলরগন মিলে অনুমোদন করবেন। উল্লেখ্য যে, ইউনিয়ন কাউন্সিলের দপ্তরগুলো স্ব-স্ব জেলার এমপি, ঋণতদারকি ও সহযোগিতা করবেন। ইউনিয়ন কাউন্সিলের কার্যক্রমে সর্বজনের অংশগ্রহণ ও উন্নয়ন ।

ছকের কার্যক্রম বা ব্যাখ্যা ঃ
(১) জনগনের আবেদন পত্র কৃষি মন্ত্রনালয়ের (যে কোন মন্ত্রনালয়ের দপ্তর হতে পারে) দপ্তরে জমা প্রদান কৃষি মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগ।
(২) কৃষি মন্ত্রনালয়ের (যে কোন মন্ত্রনালয়) যুক্তিসহ আবেদনপত্র ইউনিয়ন কাউন্সিলে। ইউনিয়ন কাউন্সিল (৩) ও (৪) অথ্যাৎ জনগনকে এবং এমপি (৪) কে বিস্তারিত অবগত করবেন। (২) নং অথ্যাৎ এই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মির্টিং স্থান এবং তারিখ, সময় ইত্যাদি নির্ধারন করবেন।
(৫) (১), (২), (৩) ও (৪) নং মিলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুমোদন দিবেন। পরবর্তীতে (১) নং অথ্যাৎ
সংশ্লিষ্ট দপ্তর কর্তৃক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য যে, কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কাউন্সিলরগন তদারকী (সরেজমিনে) করবেন। ভূমি প্রশাসন সম্পত্তি মালিকানা ঠিক রাখার জন্য এবং উন্নয়নশীল কাজের ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে প্রত্যেক মালিকের ৫০ থেকে ৬৫ বৎসর হওয়ার সাথে সাথে ছেলে মেয়েকে উত্তরাধিকার হিসেবে বন্টন করে দেয়া যেতে পারে। এইজন্য উত্তরাধিকারীরা যৌথ বা ট্রাস্ট গঠন করে ফসলাদি ভাগ করে সমপরিমাণ নিতে পারে। বন্টন করে জমি রেজিস্ট্রি করে দিলে মালিক জানলো এই অংশের আয়ের উপর কতদিন কিভাবে তার সংসার চালাতে পারবে। তার বিবেক-বিবেচনায় চিন্তা করার সুযোগ পাবে। তার ফলে এই ব্যক্তি শত কাজের এক বা দুই পেশাকে বেছে নিয়ে শিক্ষা ও প্রশিক্ষনণ গ্রহণ করে প্রকৃত পেশাদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আয়-উপার্জনের পথ সুগম করে নিতে পারে। তখন আর একখন্ড জমি নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দের সৃষ্টি হবে না এবং সে পারিবারিকভাবে পরনির্ভরশীল হবে না। যদি নেহাৎ প্রয়োজনে জমি বিক্রি করতে হয় তার মালিকানা নির্দিষ্ট থাকলে মুক্ত মনে চিন্তা করে বিক্রি করতে পারে। এক্ষেত্রে বাটোয়ারা নামার প্রয়োজন হয় না। ব্যক্তিমালিকানা তাকে কর্মপরায়ন করে তুলবে। কৃষিক্ষেত্রে পারিবারিক যৌথ মালিকানায় উৎপাদন ক্ষেত্র সকল সদস্যের মনোযোগ পাওয়া যায় না। পরিবার প্রধান দেখতে পাবেন জীবিতকালে তার পরিবারের সদস্যরা কেমন জীবন-যাপন করছে। কোন সদস্যকে সহযোগিতা করার প্রয়োজন হলে মনোযোগ আকর্ষণ করার আগ্রহ থাকবে। দলিলে নিষেধাজ্ঞা লিপিবদ্ধ করতে পারেন। যেমনঃ- এই জমি বিক্রি না করার জন্য বাড়ি না বানানোর জন্য পুকুর না দেওয়ার জন্য ইত্যাদি বিষয়ে। পুরাতন বসত বাড়িতে সকল সদস্যদের জায়গা না হলে যখন ফসল যোগ্য জমিতে বানাতে হয় তখন পরিবার প্রধানের খুব কষ্ট হয়। অপারগতায় জমি নষ্ঠ করে বসত বাড়ি তৈরি করে থাকেন। “গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দলের” নেতৃত্বে পরিবার প্রধানের সমস্যা সামাজিক সমস্যা বিবেচিত হবে এবং ইউনিয়ন কাউন্সিল যুগোপযোগী সমাধান বের করে দিবেন। পরিবার প্রধানের এমন কিছু করা উচিৎ কোন সদস্য ২১ থেকে ২৫ বৎসর হওয়ার পর একে অপরের উপর কোন অবস্থাতেই নির্ভরশীল থাকবে না। উল্লেখ্য ভূমি প্রশাসন পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ এমন হওয়া দরকার প্রত্যেকের দলিল দেখে সীমানা ঠিক করে দেয়া এটি হবে ভূমি জরিপের প্রধান লক্ষ্য। এই কাজটি তহশীল অফিসের দায়িত্বে আসবে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ভূমি সংক্রান্ত সকল বিষয় রেকর্ড অফিসে লিপিবদ্ধ থাকবে। প্রতি ৪টি ইউনিয়ন নিয়ে একটি রেকর্ড অফিস থাকতে হবে। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ইউনিয়ন কাউন্সিলের অধীনে এবং ইউনিয়ন কাউন্সিল এলাকার উন্নতির জন্য এই জমি ব্যবহার করতে পারবে। যেমনঃ- স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, খেলার, অবসর বিনোদন পার্ক, কৃষি খামার ইত্যাদি করা যেতে পারে। যা কিনা ইউনিয়ন কাউন্সিলের অধিনে থাকবে। সীমানা ঠিক করার জন্য অনেক জায়গা আঁকাবাঁকা অথবা ভেজালযুক্ত, অমীমাংসীত জমি কাউন্সিল ট্রেজারী এই বিভাগে দেশের আয়কর ইত্যাদি আদায় করে জমা রাখবে।

  1. Income Tex
  2. Land Registry Tex (Stamp Duty)
  3. Land Sale Tax/Capital Tax
  4. VAT (Value Added Tax) (Only for imported goods)
  5. Custom & Excise.

উপরোক্ত খাত থেকে যে আয় হবে তা দিয়ে দেশের জনগনের জন্য খরচ করা হবে। যেমনঃ- এই আয় থেকে প্রত্যেকটি ইউনিয়ন কাউন্সিলকে অর্থ সরবরাহ করা হবে। যার যার ইউনিয়ন কাউন্সিলের জনগনের স্বাবলম্বী ফিরাইয়া আনিবে। বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়কে যুগোপযোগী পদ্ধতি প্রচলন করতে হবে। দেশীয় বিনিয়োগ আরও উন্নয়ন করতে হবে। ব্যাংকিং সেক্টর যাতে ট্রান্সপারেন্ট বা স্বচ্ছ সেবা জনগনকে করতে পারে সেদিকে প্রভুদ উন্নয়ন করতে হবে। রাষ্ট্র কোন প্রকার বাণিজ্যে যাবে না। কারণ অন্যান্য ব্যাংক বাণিজ্য করবে এবং তাদেরকে নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালনা করবে। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের সামগ্রীক অর্থ ট্রেজারী দেখাশুনা করবে। রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ফি প্রদানের ভিত্তিতে লাইসেন্স সংশ্লিষ্ট প্রাইভেট (ছোট বড় ব্যাংক) ব্যাংককে লাইসেন্স প্রদান করিবে। রাষ্ট্রীয় ব্যাংক এ জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করবে। উল্লেখ্য যে, কোন বসত বাড়ি বা জমি জমার উপর কোন ওণডলরর্ধহ না নেয়ার বিষয়টি নীতিমালায় থাকিতে হইবে। বাংলাদেশের নাগরিক বিদেশে অবস্থান কালে প্রাইভেট ব্যাংক স্থাপনের মাধ্যমে দেশে অথবা বিদেশে ব্যবসা করিতে সুযোগ দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যাংকের শাখাগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী চলতে হবে। স্টক এক্সচেঞ্জ এবং এক্সচেঞ্জ রেইট বাংলাদেশ ব্যাংক কন্ট্রোল করিবে।

এমপি
এমপি সংসদে জমা প্রদান করবেন ও আলোচনা করবেন।
সুপ্রীম কাউন্সিল
সুপ্রীম কাউন্সিল অনুমোদন
পুনঃ বিবেচনা/স্থগিত পারিবেন
ফলাফল
সংসদ কর্তৃক আইন পাশ ও জারি করা কোন কোন এলাকায় উচ্চ স্বরে মাইক ব্যবহার (বাজানো) করা নিয়ে দ্বন্ধ দেখা দিয়েছে এটা জাতীয়ভাবে মীমাংসা করতে পারে। এই সকল দ্ব›েদ্ধর মীমাংসা উপরোক্ত পদ্ধতির মাধ্যমে আইন পাশ বা ভোটিং সিস্টেমের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।

প্রধান মন্ত্রীর কাজ
প্রধান মন্ত্রী মুলতঃ

  • দপ্তর প্রধান হিসাবে প্রতিনিধিত্ব করবেন। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যোগযোগসহ সকল প্রকার দাপ্তরিক কাজ কর্ম দেখাশুনা করবেন।
  • প্রধান মন্ত্রী সরাসরি সিদ্ধান্ত নিতে পারিবেন না। তিনি সুপ্রীম কাউন্সিল ও মন্ত্রী পরিষদকে নিয়ে বির্তক করিবেন।
  • কোন কাজের সিদ্ধান্ত নিতে গেলে (দাপ্তরিক/মন্ত্রণালয়ের কাজে) সুপ্রীম কাউন্সিলের ৭০% এই দাপ্তরিক বা মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে মন্ত্রী মাসিক এই বৈঠকের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
    তিন ধাপের প্রশাসনিক ব্যবস্থার ছক নিম্নে দেওয়া হলঃ-

Structure                                             Mean                                        Activities

                    জাতীয় মহাপরিষদ

1. Great Great Father                                  Suprime Council                    Law Pass
(Approve)

2.Grand Father                                      Cabinet Ministers                   Law Pass or Reject

3.Father                                                 Prime Minister                      Dicision Making

জাতীয় পরিষদ
4.   Son & Daughter                                  Member of Parlament            Dicision

ইউনিয়ন পরিষদ
5.Grand Son & Grand Daughter           Union Councillor

গ্রামবাসী
6.GG Son & GG Daughter                Citizen                                     Dicision Making

Prime Minister

প্রধান মন্ত্রী সিলেক্ট/নির্বাচিত হবেন, ৮৫০ জন + ১০০ জন সুপ্রীম কাউন্সিলর এর এবং এরাই যোগ্য দেখে প্রধান মন্ত্রী নির্বাচন করবেন।

MP Selection Procedure:

দুই ইউনিয়ন কাউন্সিলে একজন এমপি নির্বাচন করবে।
পদ্ধতি হচ্ছেঃ
২টি ইউনিয়নের ৮০ জন কাউন্সিলর মিলে সিলেক্ট করবেন ১ জন এমপি।

  • বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হবে পরবর্তী পর্যায়ে।
  • এমপিগণ তাদের নিজস্ব এলাকায় দুইটি ইউনিয়নের মাঝখানে বা যে ইউনিয়নটি সুবিধাজন বিষয়টি ভৌগলিক দপ্তর (অফিস) পরিচালনা করবেন।

কোর্ট অফ আপিল
সিভিল
ক্রিমিনাল
জর্জ কোট
ইউনিয়ন কাউন্সিল ছক ঃ বিচার পদ্ধতি বা ধাপ।
বিচার বিভাগ ইউনিয়ন কাউন্সিল পর্যায়ে থাকবে। ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের ক্ষমতা সীমিত থাকবে। বিচার বিভাগ যখন দেখবেন যে বিষয় তখন তিনি বিষয়টির উপর আদালত অর্থ্যাৎ জর্জ কোর্ট প্রেরণ করবেন। উল্লেখ্য যে জর্জ কোর্ট অবশ্যই ১২০ দিনের মধ্যে বিচার কার্য সমাধান করতে হবে অন্যথায় বিষয়টি মোক্কেল কোর্ট অফ আপিলে সুষ্ঠু বিচারের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে হাইকোর্টের নিচে একটি কোর্ট থাকবে সেটি হচ্ছে কোর্ট অফ আপিল হাইকোর্টে ৬টি বেঞ্চ থাকবে। কোর্ট অফ আপিল শুধুমাত্র বিচারাধীন মামলা কেন ১২০ দিনের মধ্যে সমাপ্ত হয় নাই এই বিষয়টি তদন্ত করবেন এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের পর মামলাটি উচ্চ আদালত অর্থ্যাৎ হাই কোর্টে প্রেরণ করবেন। এটিই তাদের প্রধান কাজ। হাইকোর্টের পর সুপ্রীম কোর্ট থাকবে। সুপ্রীম কোর্টের উপর সুপ্রীম কোর্ট অফ আপিল থাকবে। সুপ্রীম কোর্ট অফ আপিলে ৫ সদস্যের একটি শক্তিশালী কমিটি থাকবে। এই কমিটির সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হইবে। এই ৫ সদস্যের একজন হবেন রাষ্ট্রের প্রধান মন্ত্রী। ছক হতে বিস্তারিত বা ধাপ সমূহ বুঝা যাবে।

জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে করনীয় বিষয় সমূহ

কাউন্সিলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দুধ উৎপাদন, বাটার, ক্রীম, দই, মাংস ও ডিম ইত্যাদি ট্রাস্টির মাধ্যমে যে উৎপাদন ও জনগনের মধ্যে শেয়ার সার্টিফিকেট দেয় হবে। ঘাস উৎপাদন ও হালের বলদ ইত্যাদি র্ফাম থেকে ভাড়া নিয়ে চাষাবাদ করা যায়। শুধু চাষাবাদ করার পরই তা সংশ্লিষ্ট ফার্মে ফেরত দেয়া। এই পদ্ধতিতে কৃষকদের অনেকটা দায়িত্ব মুক্ত থাকা যাবে। উল্লেখ্য যে দেশের জ্বালানী ও বিদ্যুতের বৃহৎ চাহিদা রয়েছে। এই চাহিদা দেশের সম্পদ ব্যবহার করে পুরোপুরী অর্থনৈতিকভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। দেশের সর্বত্র বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না এক্ষেত্রে দেশীয় সম্পদ গ্যাস ব্যবহার করে বিদ্যুতের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করতে হবে। এতে দেশীয় অর্থনৈতিক সাশ্রয় ও উন্নয়নে বড় অবদান রাখবে। এছাড়া ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রভুত উন্নতী সাধনের জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুততর করার জন্য অভ্যন্তরীন বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনে উৎসাহিত করা হবে।

আমাদের ঐতিহ্য ও যৌথ পরিবার

ওহফরারফঁধষরংস এক পরিবার অন্যপরিবারের সহায়তায় আসা সব ব্যাপার যেমনঃ- ওহফরারফঁধষরংস হলো একক ব্যক্তির প্রতিযোগিতাকে কার আগে কোটিপতি হতে পারে। ১১ ভাইয়ের সংসারে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়, কেউ জ্ঞানে সমৃদ্ধি তারা শিক্ষক, চিকিৎসক, উকিল, মুক্তার, ব্যবসায়ী ও সিভিল সার্ভেন্ট ইত্যাদি। তারা সহজে ঢাকার নাগাল পায় তখন মনে করতে পারেন আমি এত পরিশ্রম করে অর্থরোজগার করি সব কেন অন্য ভাইদের সাথে যুক্ত করিতে যাব। সেই সময় থেকেই শুরু হয় যাত্রা নিজেকে নিজে লক্ষপতি ও কোটিপতি বানাতে। বাকী ১০ ভাইয়ের সাথে অর্থনৈতিক সম্পকৃ বিশেষ ক্ষেত্রে আর থাকে না। আবার দেখা যায় ১১ জন সমপরিমান জ্ঞানের বা সুস্বাস্থ্যের ও মেধার অধিকারী ছিল না। যারা মেধায় কম তারাই সকল দোষের স্বীকার তারাই সকলের অবহেলিত ও পরিহাস পায়। তারা টাকা রোজগারের নাগাল পায় না। তারপর ও নিজের দোষ মেনে নিয়ে থাকে। কেন জ্ঞান পাইল না। এই আক্ষেপ মনে রেখে দিনাতিপাত করিতে থাকে। আর আমরা অবহেলিত মানুষকে দেখিতে থাকি। কিছু বলার নেই। কারণ জ্ঞানী হয়ে জন্মায় নাই। আমরা কি করতে পারি সেই শিক্ষার প্রয়োজন। এই ওহফরারফঁধষরংস আমাদের গ্রাম বাংলার ৪০ থেকে ৫০ বৎসর পূর্বেও কম ছিল। ১১ ভাইয়ের সংসার তাদের বাবা সকলকে নিয়ে ক্ষেত-খামার করে একে অন্যের প্রতি সহানুভুতিশীল ছিল। জ্ঞানীজন অজ্ঞানীকে অবহেলিত না করে সহানুভুতিশীল থাকা তার প্রধান কর্তব্য মনে করতঃ। কিন্তু পৃথিবীর অন্যান্য জাতির প্রভুতের কারণে তারা শিখাইয়া দিয়াছে একে অন্যকে সহায়তা না করে কোটিপতি হও। সম্পদকে অপহরণ করেই। কোটিপতি হওয়ার বিধান করেছে আর এই শিক্ষাই দেওয়া হইতেছে এবং হইবে। কিন্তু যদি এমন হয় যে, মেধাশীল ভাই শুধু নিয়ন্ত্রণ করে ১০ জন মেধাবিহীন ভাইকে কিন্তু প্রকৃত পক্ষে এমন হয় যে, ১০ জন মেধাবিহীন ভাই নিয়ন্ত্রণ করবে ১ জন মেধাশালী ভাইকে। ১০ জন ভাইয়ের চাহিদা অনুযায়ী চলবে। তবে সাধারণতঃ এক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম ও পরিলক্ষিত হয় এর পরিমান খুবই নগন্য। কারণ হলোঃ- ওহফরারফঁধষরংস হলো ভয়ঙ্কর চরিত্র (অমমৎবংংরাব ঈযধৎধপঃবৎ) এই ভয়ঙ্কর চরিত্র নিয়ে জীবন-যাপন করা কি ভালো কথা? এতে কি পৃথিবীর সকল সুখ-শান্তি পাওয়া গেছে? পৃথিবীর অনেক বড় বড় ব্যবসায়ীরা কতভাবে শেষ জীবন কষ্টের মধ্যে থাকতে হয়েছে। এই চরিত্রের মানুষ একাকী হওয়ার ব্যাথা সইতে হয় মানুষের তীরষ্কার দূর থেকে পাইতে থাকে। এই জ্বালা তাদেরকে সইতে হয়।

পৃথিবীতে এমন মানুষ আছে যারা মানুষের সহায়তায় জীবন কাটাইয়া দেয়। আমরা কি এমন বরণের চরিত্র সৃষ্টি করতে পারি না। যাতে করে মূল থেকেই মেধাহীনদেরকে যুক্তিসংগত ভাবে সহোদর মনে করিয়া মনে রাখিয়া, তাদেরকে নিয়ে বিভিন্ন কাজে অংশীদার রাখিয়া প্রভোদ দিয়া জীবন-যাপন করিলে বিষয়টি কেমন হয়? নিশ্চয়ই খুব যুক্তিসংগত হয়।

একজাতি জোর করে অন্যজাতিকে তার ধ্যান-ধারণা আচার ব্যবহার শিখাইয়া দিয়ে লাভবান হয়ে থাকে। সওদাগর পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বাণিজ্য করিতে গিয়া অন্যজাতির মধ্যে থেকে কিছু মানুষকে বেছে নিয়ে তাদের মতো তৈরি করে বসে থাকে। ভৌগলিক কারণে পৃথিবীর সকল দেশ ও মানুষ এক প্রকার নয়। আচার আচরণ ও সাংস্কৃতিতে কিছুটা পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। এই ক্ষেত্রে যে যে, প্রকার আছে তাকে সেই মত জীবন যাপন করিতে দেওয়া কি উচিৎ ছিল না? আজ আমরা সকল জাতির কাছ থেকে শিক্ষার সাথে সাথে আচার ব্যবহার চলাফেরা মন-মানসিকতা ব্যবসা বাণিজ্য কলাকৌশল শিখতে শিখতে নিজের ঐতিহ্য ও কৃষ্টিকে ভুলতে বসেছি। একদিন হয়তো এমনি ভাবে চলতে চলতে তা আর থাকবে না। আমাদের ঐতিহ্য পুরাপুরি নিঃশেষ হয়ে যাবে। এর ফলে এমন হবে যে, অন্য জাতি এরকম ব্যবস্থাকে মেনে নিবে না। ধার করা পরের কাছ থেকে অনুকরণকৃত চরিত্রকে মানুষ আর ভাল করে দেখবে না। তাই এখন ও সময় আছে। বহুদূর গড়াবার আগেই আমাদেরকে সচেতন হতে হবে। আমাদের মৌলকিত্বের কথা ভাবতে হবে। আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও কৃষ্টিতে ভালবাসা ও একনিষ্ঠতা আনতে হবে। নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বকীয়তায় বেশি করে বিশ্বাসী হতে হবে। প্রত্যেক জাতিরই একটি নিজস্ব পরিচয় আছে। সেই নিজস্ব পরিচয়ে বাঁচাটাই কি গৌরবের বিষয় নয়? যখন এক জাতি অন্য জাতিকে আনিয়া সমাজে বসবাস করিয়া সকল যোগাযোগ সুবিধা ভোগ করিতে দিয়ে থাকে। খুব ভাল দেখা যায় শুনা যায়। তবে আসল মতলব লুকায়িত থেকে যায় যেমন আমরা এসেছি যে দেশ থেকে তার সমাজের একটি কৃষ্টি আছে আমাদের জন্য ঐতিহ্য বয়ে আনে। যা অন্য জাতির সঙ্গে সব সময় তুলনা করা দরকার হয় না। আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে যেমন মেয়েরা ঘরের বা বাড়ির ভিতর থাকিয়া সংসারে কাজ কর্ম করা। স্বামীর জন্য বধুর অপেক্ষা করা স্বামী বাড়ি আসা পর্যন্ত তার খাবার পরিবেশন কাপড়-চোপড় গোছানো সংসারে কাজ কর্ম পরামর্শ করা। স্বামীকে সঙ্গ দেওয়া আরামদায়ক করে রাখা, মনে প্রভুধ দেওয়া আরাম দায়ক করে রাখা, মনে প্রভুধ দেওয়া কঠিন কাজে ভেঙ্গে পড়লে অনুতপ্ত হওয়া চিন্তা করে সাহস যোগান করা। যা কি না সংসারের খুটি হয়ে থাকে তার আচার ব্যবহার মনো-মানসিকতা প্রকাশ পাইয়া থাকে। আমাদের সমাজের ঐতিহ্য বা কৃষ্টি।

আমরা যখন অন্য এক জাতির সমাজে তাদের কৃষ্টির ভিতরে সামাজিক নৈতিকতার মধ্যে থাকিয়া জীবিকা করিতে থাকিলাম আরাম-আয়েশ, ঘর-বাড়ি, গাড়ি, ব্যবসা বাণিজ্য, লেখা-পড়া যেমন মাধ্যমিক শিক্ষা উচ্চ শিক্ষা যেমন অনার্স, মাস্টার্স ডিগ্রী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল-ব্যারিষ্টার, একাউন্টটেন্ড ইত্যাদি ইত্যাদি সবকিছু যেন ভাল দেখা যায় গর্ববোধ করা যায়। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারা সকল পুরা হইতেছে। কোটিপতি হইতে পারা যাইতেছে। সরকারী সনদ পাওয়া যাইতেছে। সমাজ সেবক হইয়া লয়েল হওয়া যাইতেছে। ছেলে-মেয়েরা বড় মাইনে পাইয়া কাজ করিতেছে। তারা আরাম আয়েস শখ-ঝখ মিটাইয়া বিলাস দ্রব্য ব্যবহার করিতেছে। সামাজিক অনুষ্ঠানে বিয়ে সাদিতে আসা-যাওয়া করিতেছে দেখিতেছে, শিখতেছে, শুনিতেছে, অনুভব করিতেছে, চিন্তা করিতে শিখিতেছে। সবাই ভাল দেখা যাইতেছে প্রবুদ দিতেছে।

আমরা যারা দেশে বড় হয়ে এসেছি যেসব আচার ব্যবহারে শিখিয়াছি দেখিয়াছি অনুভব করিতে শিখিয়াছি যেমন বড়দেরকে গুরুজনকে সম্মান করা। শ্রদ্ধা নিবেদন করে কথা বলা, পাসে দাঁড়াইয়া কথা শুনা, উপদেশ পালন করা, ছেলে-মেয়ে পৃথক থাকিয়া পড়া-লেখা শেখা, খেলাধুলা করা গীত গাওয়া নিজেদের মধ্যে আনন্দ উপভোগ করার মত অনেক প্রকার প্রথায় অভ্যস্ত আছি। ছোটদের আদর করা কুঅভ্যাস থেকে বিরত রাখার জন্য অনুপ্রাণিত সোচ্চার থাকা। একে অপরের সুখে-দুঃখে সাহায্য দেওয়া সব মিলে গ্রাম-গঞ্জের পরিবেশই একটি উপভোগ করার মত সামাজিক ব্যবস্থা। তবে আমরা যেসব পশ্চিমা সমাজে আছি তাদের সামাজিকতা ও কৃষ্টি আমাদের থেকে উল্টো। যদিও অনেকটা দেখি, বুঝি অনকেটা মেনে নিতে পারতেছি, অনেকটা মেনে নিতে পারিতেছি না। ভাল-মন্দ বিবেক বিবেচনা করিতে চাই। তবু যেন কুল পাওয়া যাচ্ছে না। পশ্চিমা সমাজ গুলো হল বহুজাতিক সমাজের সংমিশ্রণ আর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা একটি এবং জাতীয় আইনের অধিনে বিচার বিবেচনা করা হয়। নিজ নিজ সমাজের প্রথা অনুযায়ী শিক্ষা ও সাংস্কৃতি বিচার বিবেচনা করা হয় না। আর এই সমাজ ব্যবস্থার ওহফরারফঁধষরংস চর্চ্চা করা ও শেখানো হয়। ফলে ছেলে-মেয়েরা দিনে ৮ থেকে ১০ ঘন্টা সময় স্কুলের এই শিক্ষা সাংস্কৃতির মধ্যে সময় অতিবাহিত করল। ১৫ থেকে ২০ বৎসর সময় যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতির সাথে থাকল, সেই শিক্ষা ও সাংস্কৃতিতে মনোনিবেশ করিতে আগ্রহ বাড়ে। যখন বহু জাতিক সমাজ ও ভিন্ন ভিন্ন মতালম্বী ভিন্ন ভিন্ন প্রথায় অভ্যস্থ জাতিকে একই জাতির শিক্ষা সাংস্কৃতি বিচার বিবেচনা শেখানো হয় যখন এই সমাজের সুবিধার জন্য করা হয়ে থাকে। এতে এই সমাজ ব্যবস্থার বিকাশ বিস্তার পায়। ভাষা ও সাংস্কৃতি শিক্ষা পোশাক পরিচ্ছদ ভাবধারা ওহফরারফঁধষরংস নিজে নিজে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ওহফরারফঁধষরংস বুঝানো হয়ে থাকে। সাথে সাথে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও ব্যক্তি অধিকার বুঝিয়ে দেওয়া, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিধান অনুযায়ী দিয়ে রাখা।

ওহফরারফঁধষরংস ৎরমযঃ প্রতি নাগরিকের দেওয়া আছে। এই জন্য বর্তমান যুগের এই নাগরিকগণ তারা এই বহুজাতিক সংমিশ্রণ সমাজের বাহিরে থাকিতে চায় না। যদি থাকে আলাদা হয়ে তবে একা একা সমাজ ছাড়া হয়ে যাবে এই জটিলতা কাটাবার জন্য তারা সাংস্কৃতিক ভাবে উপরোক্ত প্রভাব গুলো শিক্ষা আধুনিকতা ওহফরারফঁধষরংস হওয়ার পথ বেছে নিতেছে। যেমন:- চলাফেরা, পোষাক-পরিচ্ছদ, আচার-ব্যবহার ও মনো-মানসিকতা ইত্যাদি কয়েক যুগ দেখা যাবে সবই যেন একই সমাজ ব্যবস্থার নাগরিক একই শিক্ষা সাংস্কৃতির তৈরি। তখন নতুন প্রজন্মরা তাদের ইচ্ছা অনুয়ায়ী বাধবে সংসার করবে সংসার অর্থের পিছনে দৌড়াতে থাকবে। সমৃদ্ধি পিছনে দৌড়াতে থাকবে। সংসার বা বংশ নিয়ে চিন্তা বা গৌরব করতে চাইবে না। সবাই যেন পশ্চিমা ব্যবস্থার নাগরিক হয়ে থাকবে। বৃদ্ধকালে নিজে ঘরে নিজের ছেলেদের কাছ থেকে সেবা যত্ন পাওয়ার আশা থাকবে না। তারা ছেলে ও বৌ অর্থ উপার্জনে ব্যস্ত থাকবে। চাহিদা পূরনে ব্যস্ত থাকবে। বলতে পারবে বৃদ্ধ মানুষের বাড়ি গিয়ে থাক। যখন পারি তখন দেখব। বলবে আমরা টেক্স দিতেছি এই বয়সে সেবা পাওয়ার জন্য। কিন্তু আসলে কি সেবা পাওয়া যায়। নিজের বংশের মতো অন্য কেউ এই মনের আরাম ও সান্তনা দিতে পারবে না। ঙষফ চবড়ঢ়ষব ঐড়ঁংব নিজের বাড়ির মতো। আমাদের দেশে পশ্চিমা শিক্ষা সাংস্কৃতি যে হারে বাড়িতেছে এই আধুনিকতার নাম করে ধরে। এই সাংস্কৃতি দেশের সমাজকে বাঁচানো যাবে না। সব ধরনের সাংস্কৃতি পাঠানো হইতেছে। স্বাগত জানাইয়া নেওয়া হইতেছে। বিকাশ ঘটানো হইতেছে। নদীর স্রোতে ভেসে যাবে নিজেদের সাংস্কৃতি শিক্ষা বিচার বিবেক বিবেচনা। তখন পশ্চিমা দেশগুলোর মতো অট্টালিকা দিয়ে ভরপুর হয়ে যাবে। আর তারা তাদের সাংস্কৃতির উপর বহুজাতিক সমাজ তেরি করতে চাইবে। আসলে আমাদেরকে পশ্চিমে আসতে দেওয়া হয়েছে কয়েক যুগ পরে এরা নিজেদের কৃষ্টি ভুলে যাবে এই ভাবধারা মনে রেখে আসতে দেওয়া হয়েছে। এতে তাদের অনেক লাভ। বুড়ো-বুড়ি বসাইয়া খাওয়ালেও তাদের বংশদরদের কাছ থেকে বহুগুণ কর পাইতেছে এই হিসাব করেই চলিতেছে। আমরা কি ঠিক করিতেছি রোজি করিতে আসিয়া স্বপরিবারে বসতি স্থাপন করিয়াছি। ফেরৎ গিয়ে কি ভাবে জীবন-যাপন করব? আমরা কি মেনে নিতে পারবো পশ্চিমা সাংস্কৃতি আমাদের বংশধরদের জন্য? মাতৃভাষা শিক্ষা দান করে জাতীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতির প্রভাব থেকে কি রক্ষা পাওয়া যাইতেছে বা যাবে? উচ্চ শিক্ষা দিয়ে মেয়েদেরকে জটিলতায় ফেললাম কি না? উপার্জন একটি বিষয় হয়ে আছে যা কি না নতুন সংসার গুলোর জটিলতার মধ্যে দিনাতিপাত করিতেছে বা হবে হইতেছে নিজেদের পরিধান ছেড়ে দিয়ে। অন্যদের পরিধান নিয়ে আনন্দ ও গর্ববোধ করে যেন এই সমাজের সাথে মিসতে পারিতেছি বলে মনে করিতেছি এটা ঠিক করলাম? আমাদের পরিধান নিয়ে কেউ কিছু বলিতেছে না তবে কেন পদাচারণ করিতেছি। নতুন প্রজন্মরা পুরাতনকে পরিহার করিতে চায় পুরাতন রীতিনীতির মাঝে আধুনিকতা নেই এই বলে। তবে আমরা যে সমাজ ব্যবস্থায় শিক্ষা ও সাংস্কৃতি পাইতেছে তা থেকে তারা বাহিরে নয়। এইজন্য সংমিশ্রণ সমাজ ব্যবস্থা অনুসরণ করিতে প্রলোভন করা হইতেছে। এটা একার ব্যাপার রহিতেছে না। যতই খেয়াল করি না কেন তা জটিলতা কাটাইয়া উঠা কঠিন ব্যাপার হতে পারে। ওহফরারফঁধষরংস একা একা শিখাইয়া দেওয়ার জন্য সকল ব্যবস্থা হতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা তাদের স্বার্থ রক্ষার সহায়ক হবে তাই। এতে আর ৫০০শত বৎসর লাগলেও তারা শিখাতে থাকবেই। ওহফরারফঁধষরংস হল উরারফব ধহফ জঁষব পরিবারকে বিভাগ করা। যতই সমাজ সেবা করি না কেন? সংগঠন করি না কেন? ওহফরারফঁধষরংস অনুসরণ পথ চলা হইতেছে এতে সমস্যার তেমন কোন কষ্ট লাঘভ হইবে না। ওয়েফেয়ার ভোটাভুটি হইয়াছে এবারে ৭টি প্যানেল হয়েছে ১ প্যানেলে ২১ জন তা হলে ১৪৭ জনকে ৭ ভাগে প্রতিযোগিতা করিতেছেন ১টি প্যানেল অফিসে যাবেন। বাকীরা নিরব হয়ে বসে থাকবেন। আগামি সময়ের জন্য অপেক্ষা করবেন। নাগরিকগণ ও একদিনের জন্য গনতন্ত্র উভোগ করিয়া সন্তুষ্ট হইয়া ভোট দিয়া ঘরে বসবেন। বাকী দিনগুলো পরস্পরের জন্য আমন্ত্রণ পাওয়া যায় না। যদি হয় তা শুধু কয়েক জন মাত্র। এই ধারা গতানুগতিক যেমন দেশের বেলায় হয় এক দল প্রশাসনিক ব্যবস্থা পরিচালনা করার ক্ষমতা পায়। আর বাকীরা এলোমেলো হয়ে থাকেন। কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা অন্যান্য যে কোন ব্যাপারে ও পরামর্শ করিতে বসা হয় না সত্যিকারের মতো। যদি হয় তা লোক দেখানো বা দোষ মুক্ত হওয়ার জন্য। এটা হলো জাতির জন্য বা কৃষ্টির জন্য ওহফরারফঁধষরংস চলা এবং একই শিক্ষা দিয়ে তৈরি করা নাগরিকদেরকে পদাচারণ করার জন্য। কেমন হতো যদি এই ১৪৭ জন মিলে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হোক মাসে ১ বার বসে পরামর্শ করে এক এক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ৭টি প্যানেল মিলে বসে আলোচনার মধ্যে প্রয়োজনীয় কথা বিবেচনা করে কাজ করে নেওয়া। এমন হলে ওহফরারফঁধষরংস কমে আসতো এবং নাগরিকগণের সহযোগিতায় প্রতি কাজে সিদ্ধান্ত আসার নাম হলো প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র। মতামত নেওয়ার নাম হলো রেফারেন্ডম সিস্টেম।

ওহফরারফঁধষরংস শিক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জনপতি এক একটা মোটর গাড়ীর প্রয়োজন হইতেছে। নিজে কাজ করে উপার্জন করে আনন্দ উপভোগ কর এর চাহিদা কোন দিনও মেটাবে না। এই দেশে মোটর গাড়ীর অভাব নেই কত নতুন নতুন গাড়ী বৎসরের পর বৎসর গুদামে জমা রাখা হয় তবু মানুষকে ১২ থেকে ১৪ বৎসর পুরানা গাড়ী চালাতে হয়। যা থেকে পরিবেশ দূষিত হইতেছে। খরছ বাড়িতেছে এটা কমবে না। তারা চায় এই খরচ মানুষ করতে থাকুক। এতে অনেক প্রকার টেক্স আসিতেছে। আর ভালোর জন্য চাইলে তারা আন্ডার গ্রাউন্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় ছোট বড় রাস্তায় সংযোগ করে দিতে পারতেন এমন করে দিলে মোটর গাড়ীর সংখ্যা কমে আসত। পরিবেশ দূষণীয় হওয়া থেকে রক্ষা পেতো ও খরচ বাঁচতো। আরও কতো না কিছুই বাঁচতো। আর তা ন্যাশনালাইজ করার ব্যাপার ন্যাশনালাইজ কোম্পানী অধিক লাভ করার জন্য সব সময় হয়ে থাকে না। লাভ নাই বলে টরি দল ব্যক্তি মালিকানায় সব কিছুকে দিয়ে দিলেন। উদ্দেশ্য হলো পুঁজিপতি তৈরি করা। আর জোয়া খেলা চলতে দেওয়া ন্যাশনালাইজ কোম্পানী নাগরিকদের সুযোগ সুবিধা করে দেওয়ার জন্য কাজ করে থাকে আর নিজ নিজ বিভাগ আয় দিয়ে তা রক্ষনাবেক্ষণ করার মতো আয় থাকতে হয়। ন্যাশনালাইজ অনেক বিভাগ হওয়া প্রয়োজন আছে।
গ্রামীণ অর্থনীতি ও আমাদের সম্পদ

আমাদের গ্যাস সম্পদ রপ্তানী না করা ভাল, রপ্তানী হলে গ্রামবাংলার গৃহস্ত পরিবারগুলোর কোন সহায়তা আসবে না। যেখানে দেশের ৮৫ ভাগ মানুষ বাস করেন। আমাদের উচিৎ হবে ধীরে ধীরে নিজেরা নিজেদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দ্বারা ছোট ছোট শিল্প কারখান তেরি করে নিজ দেশের মানুষের আর্থিক উন্নতি ও চাহিদা পূরণ করা, তারপর নিজেদের কর্ম শক্তি দিয়ে গ্যাসোলিন তৈরি করে যানবাহন পরিচালনা করা বিশেষ করে রেল যোগাযোগের উপর যখন সম্ভব হবে, নিজেদের দেশের চাহিদা পূরণ না করে কর্মসংস্থান ও আর্থিক উন্নতি না হলে বাইরে বিক্রি করা অর্থের বিনিময়ে মোটেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। হ্যাঁ যদি এমন কিছু হতো যা বিনিময়ে ৮৫ ভাগ মানুস আর্থিক উন্নতি হতো। যেমন আমাদের জন্য তারা দেবে যা আমরা তৈরি করতে পারি না কিন্তু অর্থের বিনিময়ে হলে হবে না। আমরা প্রযুক্তি চাই যেখানে শিল্প ও কল-কারখানা করে ৮ থেকে ২০ জন লোকে কাজ করতে পারে এর বেশি নয়। ইউনিয়ন কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে রেখে নিয়ন্ত্রণ করে নিজ নিজ ইউনিয়ন বাসীর আর্থিক সহায়তা আনা। বিদেশীরা আমাদের দেশে বিনিয়োগ করতে না আসা ভাল। তাদের কথায় যুক্তি পরামর্শ কান না দেওয়া আমাদের মানুষের জন্য ভাল। তারা বিনিয়োগ করলে কর্মসংস্থান করলে তাদের জন্য ভাল হবে একশত গুণ বেশি এবং একশত গুণ বেশি লাভ নিয়ে স্বর্ণ মুদ্রা নিয়ে যাবে। কেউ দেখতে পাবে না, তারা আমাদের ভূমি ও শ্রম ব্যবহার করে নিঃস্ব করে ফেলবে। আমরা চিৎকার করার শক্তি থাকবে না, কেউ দেখেও দেখবে না। যদিও মহাবিদ্যালয় গুলোর মধ্যে তর্ক-বির্তক হয় যেমন দেখেছিলাম ১৯৮৩ সালে টিভির পর্দায় শ্রম রপ্তানির উপর মেধা শক্তির উপর আলোচনা যা কিনা জাতীয় অর্থনৈতিক ব্যাপার ছিল। তবে নিজ দেশের জাতীয় চাহিদা পূরণ না করে যেকোন কিছু রপ্তানী করা জাতির জন্য সহায়ক হয় না। অতীতকে গবেষণা করে বর্তমানকে অনুভব করলে অনেক কিছু সারাংশ পাওয়া যাবে। আসলে মানুষ আর্থিক স্বস্থিরতা পায় নাই। বিদেশ থেকে যে স্বর্ণমুদ্রা আসে তা আবার বিদেশীরাই নিয়ে যায়, দিয়ে যায় ইটের জঙ্গল তৈরির উপাদান মাত্র। আমাদের রপ্তানী করা ভাল না মন্দ এ বিষয়ের উপর প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সকল বিশ্ববিদ্যালয় মতামত তৈরি করতে পারতেন তা হলে বোঝা সম্ভব হতে রায় কি হয়। এই প্রকার জাতীয় অর্থনৈতিক ব্যাপারে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র ব্যবহার করা হলে এবং ব্যাখ্যা করে বুঝাতে পারলে আর্থিক উন্নতির কথা ভাবা সম্ভব হতো। প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রে খোলামনে পরামর্শ করে ভেবে চিন্তে রায় প্রদান করা সম্ভব হয়। পাঁচ একজন ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে কিন্তু শতেক জন ভুল হয় না, আর শতেক জনের আর্থিক স্বার্থ জড়িত আছে বলে খোলামনে পরামর্শ করে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র ব্যবহার করা শতেক জনের স্বার্থ রক্ষা করা গৌরবের বিষয়। প্রত্যেক ক্লাস থেকে মতামত তৈরি করে প্রতিনিধির কাছে দিতে পারা যায় প্রতিনিধিরা একত্রে পরামর্শে বসে চুড়ান্ত রায় সংগ্রহ করে প্রকাশ করতে পারেন। যা কি না বাইরের নাগরিকগণ আপনাদের পথ অনুসরণ করতে সহায়ক হবে। তারপর কোন বিদেশীরা বিনিয়োগ করে সম্পদ বা স্বর্ণমুদ্রা নিয়ে যেতে পারবে না। জাতিকে নিঃস্ব করে ফেলে যেতে সুযোগ দেওয়া হবে না। আর এইসব বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই আমাদের দেশে। সবচেয়ে বড় কথা নিজেদের সম্পদ ও শ্রম নিজেদের মধ্যে থাকলে অভাব থাকবে না, সম্পদের অভাব হবে না। কর্মের জন্য অর্থের চাহিদা পূরনের জন্য অতিরিক্ত শ্রম দিতে হবে না। তাই প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র ব্যবহার করে নাগরিকদের ব্যাখ্যা করে বুঝালে সামজের মানুষ ধন্য হতো। আর বিশ্ববিদ্যালয় পথ প্রদর্শক হয়ে থাকতো চিরদিন। পল্লী গায়ের মানুষ সকল সচেতন নয় রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের নিত্য দিনের ব্যয়ভার কেমন করে পরিবর্তন হয়ে থাকে। মানুষ শহরে বন্দরে এসে বসতি স্থাপন করে আর্থিক অবস্থা উন্নতি করার লক্ষ্যে কিন্তু তা হয় না হবার কথা নয়। রাষ্ট্র একটি পরিবারের মতো তার নাগরিকদেরকে মর্যাদা দিয়ে দেখলে আর্থিক উন্নতি কথা এবং আর্থিক নিরাপত্তা কি প্রকারে দেওয়া যায় সে নিয়ে বিবেক বিবেচনা ও পরামর্শ করে সমাধান আনা সম্ভব হতো। আর রাষ্ট্র পরিচালনায় নাগরিকদের সচেতন না হলে, নিজ শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী না হলে উন্নতি সাধন কঠিন ব্যাপার। তারজন্য বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞানের ভান্ডার, অধ্যয়নরত জ্ঞানীজন যা কিছু জানেন তা সকল মানুষ জানেন না। তাদেরকে পরামর্শ এনে জ্ঞান দান করলে, তারা সচেতন হতে পারতেন। কারণ তাদেরকে আর্থিক নিরাপত্তা পেতে হলে সমাজ বিজ্ঞান ও রাষ্ট্র বিজ্ঞান নিরাপত্তা পেতে হলে সমাজ বিজ্ঞান ও রাষ্ট্র বিজ্ঞান জানা ও জানানো প্রয়োজন আছে। রাষ্ট্র তার নাগরিকদের পরামর্শ আনলে সমাজের উন্নতি সাধন হতে বাধ্য। আমাদের দেশ ৬৫ কোটি বৈদেশিক মুদ্রায় সুদ ও আসল পরিশোধ করে থাকে। যেকোন পরিবার যদি ঋণের মাঝে ডুবে থাকে তখন তার সদস্যদের বহু কষ্টে দিনাতিপাত করতে হয়। সমপরিমাণ কষ্ট একটি রাষ্ট্রের নাগরিকদেরও করতে হয়, যা আমাদের হচ্ছে। ধনী রাষ্ট্র ঋণ দিয়ে, সুদ নিয়ে লাভবান হয়ে থাকে, তাই আমাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন সুদ দেওয়া শেষ হয় না। এই অঙ্ক অনেক গভীর হয়ে থাকে, ঋণ দেওয়ার জন্য ধনী রাষ্ট্র অনেক যুক্তি দিয়ে থাকে। আসলে তাদের লাভের অঙ্ক অনেক বড় আকারের করে গড়ে তোলার জন্য ক্ষুদ্র রাষ্ট্রকে ব্যবহার করে থাকে। জ্ঞানী সচেতন নাগরিকগণ ঐক্যমত হলে এমন হতো না। তারজন্য যদি প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সকল বিশ্ববিদ্যালয় মতামত গ্রহণ করে রায় একত্র করে ফলাফল দেখেন তখন অনুভব করা সম্ভব হতো। আমাদের ঋণ নেওয়া ভাল না মন্দ আমাদের সম্পদ বিক্রি করে নিঃস্ব হতে চাই না। আমাদের জাতীয় সকল সম্পদ নিজেদের নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য অঙ্গিকার করি, যে কেউ কপি করতে পারেন, অন্যকে দিতে পারেন, ধনী রাষ্ট্র খাদ্য উৎপাদন করতে হয় না। তারা চায় অউন্নত রাষ্ট্র তাদের জন্য উৎপাদন করে তাদের চাহিদা পূরণ করে থাক। বিনিময়ে বিলাসদ্রব্য দিয়ে পথভ্রষ্ট করে রাখে সমাজকে, আর খাদ্য দ্রব্য উৎপাদনে বিশাল আকারের জমি ব্যবহার করা হয় তাদের জন্য। এই প্রথা আমাদের নাগরিকদের আর্থিক উন্নয়ন আনতে পারবেনা। আর্থিক উন্নয়ন রাষ্ট্রের নাগরিকদের না আসলে সমাজ স্বস্থির হতে পারে না। আর্থিক নিরাপত্তা না আসলে পরিবার স্বস্থির হয় না। অধ্যয়ন শেষ করে বড় চাকুরী সকলের হয় না, তখন প্রতিযোগিতা করে কোন না কোন এক চাকুরী হলে কিছু দিনের জন্য নিরাপত্তা থাকে। বাকিরা অবহেলায় থেকে আর্থিক নিরাপত্তাহীন অবস্থায় নিনাতিপাত করতে হয়। সে জন্য দেখা যায় আর্থিক নিরাপত্তা সমাজে আনতে পারলে স্বস্থিরতা আসে এবং তা সম্ভব। এই জন্য বিশ্ববিদ্যালয় হলো সমাজ বিজ্ঞানী ও রাষ্ট্র বিজ্ঞানী বেশী সংখ্যায় না হলে সমাজের উপকারে আসে যার মধ্যে নিজের দেশের অর্থ বিজ্ঞান কাজে লাগিয়ে নিজের ও অপরের আর্থিক উন্নতি এনে রাষ্ট্র ও নাগরিকগণ সম্পদশালী হতে পারে। বিদেশীদের অর্থ বিজ্ঞান আমাদের সমাজে কোন দিন স্বস্থিরতা এনে দিবে না। সে হোক যে কোন প্রান্ত থেকে, আমাদের প্রকৃতির সাথে মিল কারো নেই। তাই নিজেদের পুরাতন অর্থ বিজ্ঞান অধ্যায়ন কাজে আনা হলে ঋণ করে সুদ দিতে হবে না। রাষ্ট্রের ভিতর সম্পদ থাকলে নাগরিকগণ অভাব করবে না, অন্যের কথায় কানও দিবে না। অন্যের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারলে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র ধাপে ধাপে স্বস্থিরতা আসবে। সেজন্য মহাবিদ্যা অর্জন কারীরা সমাজের মানুষকে ব্যাখ্যা করে বুঝালে এক সময় সকল নাগরিক সামাজিক আর্থিক নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ঐক্যমত গড়ে তোলা সম্ভব। যার জন্য মানুষ বিদ্যানদের প্রতি তাকিয়ে আছে। বৈদেশিক ঋণ বা বৈদেশিক বিনিয়োগ সমাজের উন্নয়নের বা আর্থিক মুক্তি লাভের সহায়ক হবে না। বৈদেশিক বিনিযোগ হলে বড় বড় শিল্প-কারখানা স্থাপন গ্রামবাংলার মানুষের আর্থিক স্বাধীনতা হারাবে, বর্তমানের চেয়ে অনেক বেশিগুনে। মানুষ উৎপাদন করবে কিন্তু ভোগ করতে পারবে না। লোভনীয় পণ্যদ্রব্য উৎপাদন করে সমাজে প্রচলনের রীতি হয়ে থাকে। যার কারণে উচ্চ মূল্য দিতে গিয়ে অভাবী হয়ে থাকে, চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে না, সে অনুযায়ী পারিশ্রমিক দেওয়া হবে না। একবার সমাজকে আর্থিক স্বাধীনতা থেকে সরিয়ে নিতে পারলে বিনিয়োগকারীরা একশত গুণ বেশি সুদ আসল আদায় করতে পারে, সুদে আনা ও কর্জ্জে আনা অন্যকে নিজের ভূমি তাদের স্বার্থে ব্যবহার করতে দেওয়া। সমাজের নাগরিকদের আত্মমর্যাদা রক্ষা করার ব্যাপার, বর্তমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পারলে, আত্মমর্যাদা রক্ষা করা যাবে না। তাই আমাদের গ্রামবাংলাকে শহর বানিয়ে আমাদের স্বাধীনতাকে কেড়ে নিতে দিও না। পল্লী গায়ে স্বস্থির হবে, নিজেদের জ্ঞান, বিবেক বিবেচনা কাজে লাগিয়ে নিজেদের মত বেচে উন্নতি সাধন করে সকল নাগরিকের আর্থিক নিরাপত্তা এনে দিয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করে থাকা। আমাদের সমাজে তিনটি স্তরে উন্নতি করে নেওয়া, নূন্যতম স্তর ১ থেকে ৪০, দ্বিতীয় স্তর ৪০ থেকে ৭০, তৃতীয় স্তর ৭০ থেকে ১০০।

গ্রামীণ অর্থনীতি

কয়েকটি পরিবার মিলে সারি বেঁধে বাড়ি তৈরি করে থাকেন। সবারই দেশিও উপাদান দিয়ে তৈরি ঘরগুলো বাঁশ ও ছন-বন ইত্যাদি দিয়ে যদিও স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে হয় নাই তবু তেমন কিছু আসে যায় নাই। স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে তৈরি করার জন্য বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজন ছিল যা হয় নাই। সবার কাছে কৃষি জমি সমাজ নাই তবু সবাই গৃহস্ত পরিচালনা করিতেন। প্রায় সকল পরিবারে দুধের জন্য গাভী ছিল। হালচাষের জন্য গরু-মহিষ ছিল, মাঠে ঘাস ছিল, হাওরে পানি ছিল, পানিতে মাছ ছিল। নদীতে গভীর জল থাকতো, নৌকা ছিল, প্রচুর জেলে মাছ ধরিত, গ্রামের লোকজন মাছের জন্য অভাব করিতো না। জমিতে যা ফসল জম্মাতো তাতে এলাকার মানুষ ক্রয় করে খেতে পারতো। সরকারের প্রভাব এতোটা ছিলো না। এখন সরকার ইজারা দিয়ে ব্যক্তি বিশেষকে সম্পদশালী করিতেছে। আর বাকী সবাইকে অবজ্ঞা করে রাখিয়াছে। যার জন্য মানুষ মাছ ধরিতে পারে না। হাওর বিল (মাটিতে) উঁচু জমির মাটি বর্ষায় নিয়ে হাওর বিল নদী-নালাকে ভরপুর করে রেখেছে যার জন্য ফসল হয় না ও মাছ থাকে না। বর্ষাকালে পানি যাওয়ার পথ থাকে না, হেমন্তকালে পানি থাকে না। ঘাসের জন্য ঘোপাট সংরক্ষণ ছিল যা আজকাল আর নেই বলিলেই চলে। যার জন্য গরু মহিষের প্রয়োজনীয় ঘাস ও খড় নাই। মানুষের সাথে যেভাবে আইন করা হয়েছে গরু-মহিষের সাথে ও একই আইন প্রয়োগ করা হয়েছে। গরু-মহিষ মানুষকে চাষাবাদ করিতে সহায়তা করে যার ফলেত মানুষ ফসল উৎপাদন করে জীবিকা নির্বাহ করে। গরু-মহিষের সহায়তা করা খুবই দরকার। একে অপরের উপর নির্ভরশীল। এজন্য ঘোপাট সংরক্ষণ রাখা দরকার আছে। এটাকেও যখন ইজারা দেওয়া হবে তখন আর মানুষকে ফসল চাষ করিতে যাইবে না। হা তখন দরকার হবে বিদেশ থেকে চাষ করার জন্য মেশিনপত্র আনা, বীজ আনা, যার এই অর্থ সংকুলান করিতে পারিবেন না তাহারা এই অর্থ সুদ করে টাকা এনে চাষাবাদ করবে। ফসল তোলার পর নিজের জন্য ফসল রাখার পূর্বেই বীজ ও যন্ত্রপাতি ক্রয়কৃত অর্থের সুদ পরিশোধ করতে হবে। যা হতেই থাকবে, তখন নিজের চাহিদা পূরণ করতে পারবে না। কোন একসময় জমি-জমাকে বিক্রয় করে জীবিকা করতে থাকবে। পরে এক সময় নিঃস্ব হয়ে যায়। তারপর রিক্সা বা ঠেলা-গাড়ি চালাবে। তাতেও কোন দিন তার ভাত কাপড়ের চাহিদা পূরণ হবে না। আর যত মানুষ নিঃস্ব হবে ততো রিক্সা ঠেলা গাড়ি, বেবী টেক্সী ও বাস ট্রাক ইত্যাদি, শহর গুলোতে বৃদ্ধি পেয়ে সারা পরিবেশ কুলশিত হতে থাকবে। এই বায়ু শোধন করা যাবে না। এই বায়ুর সাথে মানুষের শ্বাস প্রশ্বাসে সংযোগ এই বায়ু যকন দূষিত হবে পরবর্তীতে আমাদের বাকী জীবন ঔষধ সেবন করেও রক্ষা পাবো না। অন্যান্য শ্রমিকরা ফসল উৎপাদনকারী জমিকে ইট বানানোর জন্য মাটি তোলে ইমারতের জন্য কয়লা দিয়ে মাটিকে পোড়াইয়া ইট তৈরি করিতেছে দিন-রাত এই মানুষগুলো মিশিনের মতো কাজ করিতেছে। ফসল উৎপাদনকারী জমি পোড়াইয়া বা নষ্ট করিয়া উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস করিতেছে। ট্রাক, নৌকা ও জাহাজের শ্রমিকেরা মালামাল মাথায়, কাধে ও পিঠে করে বস্তাগুলো তুলে দিয়ে থাকে। আর তারা কার জন্য নিয়ে যায় কেউ জানতে পারে না বা চায়ও না। এই ধরনের কাজ করে আমাদের অভাব কমল না বাড়লো। চা ও রাবার উৎপাদন করে প্রচুর জমিকে মানুষের কল্যাণে যথাযথ ব্যবহার করা হচ্ছে না। যা মানুষের স্বার্থের পরিপন্থী। এই উৎপাদনের জায়গায় অন্যান্য ফসল উৎপাদন করা দরকার ছিল। ফল-মূল মানুষের খাবার। চা ও রাবার উৎপাদন করে মানুষের স্বার্থ সংরক্ষিত হইতেছে না। ভারতকে সড়ক পথের অনুমতি দিয়ে আমাদের দেশ যে ক্ষতির দিকে নিয়ে গেছে তা কোন কালেও পূরণ করিতে পারবে না। এতো পথ করে দেওয়া হলো বড় বড় সড়ক পথ রেল পথ এইগুলো দিয়ে যানবাহন চলাচল করে সারা এলাকাকে দূষণীয় করে তুলবে। রাস্তা ভাঙ্গবে, ধুলাবালি, কাঁদা, দূর্ঘটনা, যানজট, আওয়াজ ও বেপু বাজানো সব মিলে ভারত আমাদের মাথার উপর বসে সিঙ্গা ফুকবে আর আমরা তালে তালে নাচবো। নাচতে নাচতে আমাদের একদিন দম বন্ধ হয়ে যাবে। ভারতসহ পৃথিবীর বহুজাতিক কোম্পানীগুলো এম এন সি আমাদের দেশকে কিনে নিয়েছে বাকীগুলো যে কোন সময় কিনে নিবে। তাদের সুবিধা বুঝে তা করবে তখন বা এখন আমাদের সার্বভৌমত্ব বলে কিছুই থাকবে না। নিজের দেশে নিজেদের বন্দী করে হাত-পা বেঁধে রাখবে এবং মুখ বন্ধ করে দেবে বা দিয়েছে। এগ্রীম্যান্টের মাধ্যমে ডাব্লিউ টি ও ব্যবসার জন্য খোলা দরজা উৎপাদনের জন্য কড়াকড়ি ক্লোজ রাখা হয়েছে। যদি আজ র্গামেন্টস্ ফ্যাক্টরী চলিতেছে এই ব্যবসার কোন নিরাপত্তা নেই এইটা হলো সাময়িক ১০ থেকে ২০ বৎসর পর যখন সাগরে বড় হাঙ্গর হাঁ করবে তখন এক গ্রাসে চুনো পুঁটিকে খেয়ে ফেলবে। তখন বড় বাবু, ছোট বাবু, মরে যাবে, দিন মজুর অনাহারে থাকতে থাকতে লতা-পাতা খাইতে শিখবে বা বাধ্য হবে। এইজন্য যে দেশে খাদ্য থাকবে না, বীজ থাকবে না। ফলনের জন্য এম এন সি তারা বীজ দেবে না, দিলে মূল্য পরিশোধ করিতে পারবে না। যা দিবে তা থেকে ফসল পাইবে না। আজই পাইতেছে না, তখন তো পাবার কথাই থাকে না। বিদেশী বীজ হলো দেশী বীজকে নির্মূল করা এবং পরনির্ভরশীল করে রাখা। তখন আমদানী করে অগ্নিমূল্য দিতে পারবে না সরকার। কারণ সরকারের সুদের কিস্তি দিতে দিতে তখন পথ অন্ধ দেখবে। মানুষ অনাহারে মরবে। মহামারীতে মরবে, সরকার বাহানা দিবে। অর্থ সুদ করবে ৪০ থেকে ৫০ বৎসরের জন্য দেশের মানুষ বাকীরা সুদের বোঝা কাঁদে বইতে বইতে মরে যাবে। আমাদের দেশ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা লাভ করে নাই। পাকিস্তান ও ভারত ১৯৪৭ সালে অর্থনৈতিক স্বার্থ লাভ করে নাই। যদি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা লাভ করতো তখন লর্ড মাউন্ড বৃটেন স্বাধীনতা দিলাম ও কমনওয়েলর্থের সদস্যপদ করলাম। এমন বলার কথা ছিল না। হিউজ ম্যাজিস্ট্রি সংবিধান লেখা হয়েছে। ১৯৩৯ সালে যে ব্রিটিশ ও অন্যান্য বড় বড় শক্তি একটি দেশ চালানোর কায়দা করিতে পারে নাই, যা করছে সব বহুজাতিক কোম্পানীর জন্য করা হয়েছে। এই সুবাদে বলি তারা যখন পারে নাই তখন বাংলাদেশ কিভাবে পারে। এইজন্য বড় বড় সকুনের দল ঝাঁকে ঝাঁকে বসে আচে আর সুদ গুনিতেছে প্রতিদিন। যদি ভারত বা পাকিস্তান, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা লাভ করতো তখন লর্ড কিছু না বলে রাতের আঁধারে চলে আসতেন। যেমন হংকং থেকে আসলেন (যদিও লীজ ছিল) একটি দেশের মানুষ যদি আর্থিক বা অর্থনৈতিক মুক্তি না করিতে পারে। তখন দেশের মানুষের মুখে স্বাধীনা হয়েছি কথার কোন স্বাদ থাকে না অর্থবহ হয় না, এটা পরিহাস বৈ কি না।

জাতির জন্য জাতীয় সম্পদ যদি না থাকে মজুদ তবে কিসের জন্য হলো বাঙ্গালী জাতি। বিদেশীরা নিয়ে যায় বা সবকিছু দখল করে থাকে আর আমরা এমন কতগুলো উৎসব নিয়ে দিন কাটাই যা হাস্যকর হয়ে যায়। জিয়া ও এরশাদ সরকারের আমলে কোন এক দেশের সাথে চুক্তি করা হইতেছিল ড্রেজার আনার জন্য যা দিয়ে নদী-নালা খনন করা হবে, এই কথা দেখে শুনে বড় দেশটি বলল এই চুক্তি বাতিল না করিলে সকল প্রকার সহযোগিতা বন্ধ করে দিবে। তখন সময় ছিল মানুষের জন্য, মানুষকে কষ্ট স্বীকার করা আর্থিক সহযোগিতা বন্ধ হলে যে প্রকার কষ্ট হতো তাতে মানুষ মরে যেত না। এতে প্রকাশ পায় তারা একটি দেশকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিতে চায় না। আমাদের মতো দেশ থেকে এতো লোক এনেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য দেশগুলো এটা তারা করেছে তাদের স্বার্থ এবং তাদের ম্যানেজারদের উপর থেকে চাপ কমাইয়া রাখার জন্য। আমাদের ভালোর জন্য তারা আনে নাই এতে করে এক সময় তাদের ভাবদ্ধারা বিস্তার হবে, এই হিসাব করেই আনা হইতেছে। একদিন আমাদের বংশধররা তাদের মতই হয়ে যাবে। আচার-ব্যবহার, কথা-বার্তা ও জীবন-যাপন করে তাদের মতাদর্শী হয়ে যাবে, এটা তারা চায়। এই শিক্ষাই দিতেছে ও তার নাম হলো ইন্ডিভিজিলিজম।

আমাদের কৃষি নির্ভরশীল দেশকে শিল্প নগরী বানাইয়া আমাদের ছেলে-মেয়েকে দিয়ে ইট ভাঙ্গার কাজ করাইতে থাকবে। তাদের বিলাস বহুল যান বাহন চালাইবার জন্য বড় বড় সড়ক বড় পুল তৈরি করাইবে। আর তাদের ইচ্ছামত খাওয়াবে। ক্ষুদা নিবারণ করিতে দিবে না। আমাদের ছেলে-মেয়ে দিয়ে যা পন্য উৎপাদন করাইবে তা হবে অন্য দেশের মানুষের জন্য। নিজেদের জন্য কিছু উৎপাদন করিতে পারবে না। যা আজও পারতেছে না। একটি জাতির খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থাকে নষ্ট করে অন্য জাতির জন্য পন্য উৎপাদনে বাধ্য করিয়া পরনির্ভরশীল করে রাখা। কত বড় নির্মম কাজ। পরনির্ভরশীলতা থেকে কিভাবে মুক্তি পায় আমরা যখন একই মানব জাতি একই ভূখন্ডে বাস করি যা আমাদের ভূখন্ড। তখন কেন আমরা অন্য জাতির জন্য উৎপাদনের কাজ করিবো আমাদের মাটিতে। আমাদের শ্রম দিয়ে অন্যকে খাওয়াবো পরাবো এটা হতে পারে না।

ভারতের মত বড় দেশ (ডঞঙ) ডড়ৎষফ ঞৎধফব ঙৎমধহরংধঃরড়হ এর বাইরে থাকতে পারে নাই বাংলাদেশের ও হাল কি হতে পারে। সবকিছু তো জানা বা শোনা যায় না। ডড়ৎষফ ঞৎধফব ঙৎমধহরংধঃরড়হ ও চুক্তি সই করা হলো সারা জাতিকে জুয়া খেলার দানে ফেলে দেওয়া। এই জুয়ার দান থেকে গরীব জাতি কোন দিন ফিরতে পারবে না। যখন বাংলাদেশে ২ কোটি মানুষ কোটিপতি হবে তখন বাকী ১৪ কোটি মানুষ অনাহারে থাকতে হবে। ১৪ কোটি মানুষের কোন সম্বল থাকবে না বিদেশীরা সব নিয়ে বসবে। তখন নিজস্ব কোন সাংস্কৃতি ও থাকবে না, খেলাধুলা থাকবে না, আচার-ব্যবহার থাকবে না। সব যেন বিদেশী বিদেশী জমজমাট থাকবে তা তো এখনই হয়ে গেছে। ছেলে-মেয়েরা ইংরেজি বলে নিজেকে ধন্য মনে করে। বাংলা বলে নিজেকে অপদস্ত করিতে চায় না। ঘরের সবার সাথে ইংরেজিতে কতা বলে গর্বোবোধ করিতেছে। ক্রিকেট খেলা দেখবে বন্ধু নিয়ে বেড়াবে। ক্রিকেট খেলা হলো সুদখোরদের খেলা, এ আমাদের কৃষ্টি নয়, গ্রাম্য খেলা তা অনেক রকমের আছে। রপ্তানীর নামে যা উৎপাদন করা হয় ও যা রপ্তানী করে আয় হয় সেটা দেশের হয় না। চা রপ্তানী, রবার রপ্তানী ও পোষাক রপ্তানী এইসব হলো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বা এম এন সি এর জন্য, এই লাভ তারা নিয়ে থাকে। সরকার কিছু পায় না সরকার হলো তাদের লাভ নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য। শ্রম রপ্তানী করে যে রেমিটেন্স পায় তা দিয়ে জাতি সুদ দেয়। আর বিলাস দ্রব্য আমদানী করে হাট বাজারে। ১৪ কোটি মানুষের কথা ভাবতে পারেন নাই কোন সরকার। কারণ তারা সরকার নামের ম্যানেজার আর সকল দর্শক ক্রেতা ও ভোক্তা। দুই দেশকে ইংরেজদের প্রশাসনিক ব্যবস্থা শিখানো হয়েছে। এই সুবাদে চাওয়া হয়েছিল কনস্টিটিউশনাল স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল। আমাদের প্রথা অনুযায়ী যা শিখাইছি সেই মত তোমাদের মানুষকে শাসন করিতে থাকিবে এবং আমাদের সাথে উঠা বসা করিবে। আমরা ভারত ও পাকিস্তানকে মুক্তি দিয়ে গেলাম তারা মানুষের ইচ্ছা মত ভবিষৎ নির্ধারণ করিবে। বিদেশীদের কোন মধ্যস্ততা বা পরামর্শের কিছু করিতে হইবে না। এটা হলো স্বাধীনতা দেওয়া। যার মধ্যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা জড়িত।

গ্রামীণ অর্থনৈতিক মূল্যায়নের কাজ

প্রতিটি এলাকার উৎপাদিত দ্রব্য নিজেদের এলাকায় বেচা-কেনা করা। পাইকারের কাছে বিক্রয় করিও না। প্রয়োজনের অধিক উৎপাদন করিও না। যদি হয়ে থাকে মজুদ করে রেখ। খাদ্যদ্রব্য ২ থেকে ৩ বৎসরের জন্য সমবেত ভাবে জমা করে রাখ। এই এলাকার প্রয়োজন মিটানোর জন্য যাতে এলাকার মানুষ অভাবী বা কোন প্রকার কষ্টের মধ্যে না পড়ে। তবে মজুদ খাদ্য চওড়া দামে বিক্রয় করিতে পারিবে না। চড়া দাম চাওয়া হলো সুদ ও আসল চাওয়া। এই সুদ নেওয়া দেওয়া পরিহার করিবার জন্য মনো-মানসিকতা তৈরি করিতে প্রস্তুত হওয়া প্রয়োজন। অনেক পন্য-দ্রব্য উৎপাদন করা হয়ে থাকে যা সকল সময় প্রয়োজন না আমাদের সমাজ নিজ নিজ পরিবারে সকল কিছু উৎপাদন করে জীবিকা নির্বাহ করিতে অভ্যস্থ আছে। এই জন্য উৎপাদনে অনুপ্রাণিত হয়ে থাকেন। তবুও সব কিছু সংকুলান না হওয়ার কথাও নয় তাই মাছ-ভাতের খাওয়ার সাথে অন্যান্য দ্রব্য বিভিন্ন স্থান থেকে আনিতে হয়। যেমন মরিচ আসে রংপুর থেকে বা রায়পুর থেকে আর লবন আসে খুলনা থেকে ইত্যাদি। যদি দেশের ভিতর আনা নেওয়া হয় লবন, তৈল ও কেরোসিন ইত্যাদি বাকী হলুদ, মরিচ, পেঁয়াজ ও শাক-সব্জি নিজ নিজ এলাকায় উৎপাদন করে আগের মতো বিকাল বেলায় বাজার বসে সন্ধ্যার পূর্বে শেষ করা হয় তা হলে এলাকার পন্য-দ্রব্য দিয়ে হাট-বাজার কম দামে পূরণ করা যাবে প্রতিটি পরিবার মাছ-ভাত পাবে। আমি তো দেখি পরিকল্পনানুযায়ী উৎপাদনশীল জমি ব্যবহার করিলে দই, দুধ, ঘি, মাখন, মাংস, হাঁস ও মোরগ প্রতিটি এলাকায় মানুষ সহজ মূল্যে পায়। তা ও দেশি জাতের উৎপাদন যা বিদেশী আমদানীকৃত এর চেয়ে ১০০ গুণ ভাল সাধ পাওয়া যায়। যার জন্য কথা আসে নিজ নিজ দেশের আবহাওয়া ও মাটির সাথে সম্পর্কযুক্ত বীজ পর্যন্ত রাখিয়া এটাকেই সকল কালের জন্য ব্যবহার করা ভাল। যেমনঃ- ধানের বীজ শাক-সব্জির বীজ ইত্যাদি পরে দেশীয় মাছের বীজ বা পোনা হাস-মোরগ, গরু-মহিষ সবকিছু অতীতে যাহা ছিল তা আবার লালন-পালন কর। এটাই আমাদের প্রাকৃতিক দান আমাদের আবহাওয়া ও মাটির সাথে মিল আছে যা উৎপাদন করিতে সার ক্রয় করিতে হইবে না। বেশি ফলনের জন্য সার ব্যবহার করা হলো এক যুগ পরে পরনির্ভরশীলতায় চলে যাওয়া। জৈব সার সবচেয়ে ভাল। আমাদের দেশে বরফ মেঘের সাথে হয় না এই জন্য দুঃখ করার কোন কারণ নেই। আবহাওয়ার সাথে অন্য দেশের আবহাওয়াকে না মিলানো হলো বুদ্ধিমানের কাজ। নিজ নিজ এলাকার চাহিদা পূরণ হয়ে গেলে অন্য এলাকা থেকে নৌকা দিয়ে অন্যান্য পন্য-দ্রব্য আসতে পারে। যার জন্য ডিজেল জ্বালাইয়া বিদেশী মালবাহী যান-বাহনের ব্যবহার করে নিজ নিজ এলাকার আবহাওয়া দূষণীয় হওয়া থেকে মুক্ত রাখিতে পারা যায়। প্রতিটি পরিবার এক একটি পাম্প ক্রয় করিবে, টিউবওয়েল ক্রয় করিবে, যা কি না জমির সদ্যব্যবহার করা হয় না। এইগুলো যৌথ মালিকানায় করা হলে খরচ ও শ্রম কমে আসে। যৌথ মালিকানা হল (মাল্টিন্যাশনাল করর্পোরেশন) যা বর্তমান যুগের বা আগে থেকেই খুব প্রচলিত আছে। এটা হলো নিজ নিজ এলাকায় মালিকানা ঠিক রেখে করর্পোরেশনের মধ্য দিয়া উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খরচ ও শ্রম কমানো। একটি গ্রামের সকল গবাদি পশুকে এক স্থানে দিন-রাত রাখিয়া পালন করা সম্ভব দিনের কাজ শেষে এখানে রাখিয়া যাওয়া এটা হবে গ্রামের সকলের সহানুভুতিশীল হওয়ার উপর, ব্যবসার জন্য নয়। যাদেরকে কাজে নিয়োগ করা হবে তাদেরকে বেতন বা আনুসাঙ্গিক খরচ প্রতিটি পশু পিছু ১ টাকা বা অনুরূপ দেওয়া বা নেওয়া হবে। নদ-নদী ও হাওর-বিল খাল এগুলো এলাকার জাতীয় সম্পদ মাছ ধরার জন্য উন্মোক্ত থাকা প্রয়োজন। তবে বড় আড়ৎদারকে দেওয়া না হয় সে দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। মাছ ধরে অনেক লোক বিক্রয় করুক বাজারে এতে করে অভাব মুক্ত হতে সহায়ক হবে। তবুও নৈতিকতা হলো যদি কোন ব্যক্তি কোন কাজে সন্তুষ্টি না পায় বা কোন কাজে গিয়ে যা পায় তা দিয়ে তার সংসার অভাব মুক্ত হয় না। সেই সময় গ্রামবাসী ও ইউনিয়ন কাউন্সিল তার মেধা অনুযায়ী একটি কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করে দেওয়া যাতে করে তার সংসার সানন্দে চলতে পারে। তার কাজ গুনগত মান কম হলেও উপার্জন অন্যান্য লোকের তুলনা মত সংসার চালাবার মত অভাব মুক্ত থাকার ব্যবস্থা নেওয়া হলো কল্যাণ মূলক সমাজ। এই নিরাপত্তা সকল মানুষের কাজে আসবে। আজ এক জন বড় জ্ঞানী বা বিশেষ বিশেষ কাজে অভিজ্ঞ। তার জন্য একদিন এই ব্যবস্থা আর্থিক নিরাপত্তা দিবার অঙ্গিকার করিতেছে। এই জন্য যে বিধাতা সকলকে এক প্রকার জ্ঞান দেন নাই। শারিরীক ও মানসিক সব দেহ দেন নাই। চিরদিন সবল দেহ যে থাকবে তারও নিরাপত্তা বিধাতা দেন নাই। এই জন্য অসুস্থ্য হলে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। অসুস্থ্য হয়ে পড়লে একা একা থাকা বড় কষ্টকর। তাই অন্যান্য মানুষের স্বীকৃতি চায়। আমরা একে অন্যকে স্বীকৃতি সদা সর্বদা করি। যখন যাকে কুশলাদি জিজ্ঞাসা করি, পাশে বসি সহানুভুতি প্রকাশ করা হয়। হাত ধরে শুধু হাসি হাসি দিয়ে প্রবোদ দিয়ে থাকি। এই সব হলো সত্যিকার মানুষের প্রতি মানুষের হসপিটালিটি দেওয়া। এটাই আমাদের সমাজে স্বীকৃত। এতে আমরা শান্তি পাই, আনন্দ পাই। এটাই মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাঁচিয়া থাকার স্বার্থকতা।

যে স্থানে নদী ভরাট হয়েছে বড় বড় খাল ভরাট হয়েছে বৃষ্টির পানি মাটি নিয়ে যায় এই মাটি উঁচু জমিকে ধীরে ধীরে নিচু করে নদী খাল-বিল ভরাট করে ফেলেছে। এই মাটি তুলিয়া এক জায়গায় উঁচু পাহাড় বানাইয়া রাখা প্রয়োজন। মাটি না তুলিয়া নদীর পারে বাঁধ দিলে বিপদ হবে। অন্যান্য স্থানে মরুভূমি তৈরি হবে। পানিকে পথ করে না দেওয়া হলো প্রকৃতির সাথে অবজ্ঞা করা। পানিকে পথ করে দিলে বন্যা হবে না ধান ক্ষেত নষ্ঠ হবে না। মাছের অভাব হবে না নদী পথের যোগাযোগের অসুবিধা হবে না এতে তেল জ্বলবে না। নদী পথে তেল ডিজেল সকল সময় চলা উচিৎ হইবে না। নদ-নদী হাওর বিল ইত্যাদি হল জাতীয় সম্পদ প্রতিটি এলাকার সম্পদ এলাকার মানুষের জন্য। এলাকার মানুষ রক্ষণা-বেক্ষণ বিনা সুদের স্বার্থের টাকায় করিতে পারিবে এই জন্য ইউনিয়ন কাউন্সিলের প্রয়োজন। প্রতি এলাকায় নদ-নদী, হাওর-বিলের মধ্যে শুষ্ক মৌসুমে ও পানি থাকা প্রয়োজন এতে বায়ু প্রবাহ বাড়বে। আজ অনেক জায়গায় বায়ু প্রবাহ কমে গেছে। যার ফলে হিউমিউ কনডিশন হয়ে থাকে। কিভাবে এইসব কাজ করা যাবে আমি অন্য পাতায় লিখবো, যা হবে পলেসি। তবে এই কাজে এলাকার সকল মানুষের সম্মতি প্রথমে প্রয়োজন। এর মধ্যে কেউ যদি বলে রিক্সা চলতে বেশি অসুবিধা হবে এই জন্য মাটি তুলা ভাল হবে না অসম্মতি জানান তখন বুঝতে হবে তাকে। যে তোমার রিক্সা বা টেম্পু চালাবার প্রয়োজন হবে না। আজ মানুষের চাহিদা টেনে নিয়ে গেছে এত দ্রুত চলবার জন্য কে কার আগে যাবে গিয়ে টেবিলের সামনে দাঁড়াইবে তার সিরিয়াল নাম্বার আসুক বা না আসুক পিছনের জনকে টেবিলের সামনে আসতে দিবে না যদিও পিছনের জনের সিরিয়াল নাম্বার আগে আসিয়াছে। এটা হলো বর্তমান যুগের মনো-মানসিকতা। তাদেরকে বুঝতে হবে তোমরা গ্রামে থাকিয়া গ্রামকে গ্রাম বানাইয়া রাখার জন্য পরিশ্রম কর গ্রাম তোমাদের ভাত কাপড় দিতে পারবে। তোমরা গ্রামের মানুষের সাথে কাজ কর। রিক্সা ঠেলাগাড়ি ও বেবী টেক্সী পরিহার করে খাদ্য ও বস্ত্র উৎপাদন কর শুধু নিজেদের জন্য ও নিজের দেশের মানুষের জন্য। দেখবে তোমার এই হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করিতে হইবে না। এই রিক্সা ঠেলা গাড়ি মট টানিয়া তোমাদের অভাব কোন দিন শেষ হইবে না। এই খাদ্য বস্ত্র উৎপাদন করতে অভ্যস্থ হওয়া ভাল।

এতো বেশি সড়ক হইয়াছে যার ফলে জলাবদ্ধতা বেড়ে গেছে এই সব সড়ক পথ দিয়ে তারাই মরতেছে। যারাই তৈরি করেছে এতো ইট পাথর ভাঙ্গিয়া বানাইল তবু পেট ভরে খাইতে পায় নাই। যত দিন সড়ক বানাইয়াছে ততোদিন হয়তো কিছু খাইয়াছে তারপর আর সড়ক তৈরির জন্য দিশেহারা হয়ে ঘুরছে। এই শ্রমিকদেরকে বুঝাতে হবে তোমরা এইসব ছেড়ে পাহাড়ে জঙ্গলে গিয়ে লতা-পাতা আহার করিয়া দিননাতিপাত করিতে শিখ। তবু পাথর ভাঙ্গিয়া ইট ভাঙ্গিয়া আর সড়ক বানাইয়া আমাদেরকে জলাবদ্ধ করিও না। বিধাতা পাহাড়ে জঙ্গলে অনেক অনেক খাবার দিয়েছেন সেই লতা-পাতা খাও। দুঃখের সাথে লিখিলাম।

গ্রামের বাঁশ বাগানকে সংরক্ষিত করার জন্য এবং অপ্রয়োজনীয় বাঁশ গাছকে কমাইয়া বাঁশ বাগান তৈরি করা সম্ভব। এতে সকল পরিবার অংশিদারীত্ব থাকবে গ্রামের সকল পরিবারে। ব্যবহারে কোন নিয়ন্ত্রণ না রাখিলেও অভাব হইবে না। শুধু ব্যবসার জন্য বিক্রয় করিবে না বা অহেতুক নষ্ট করিতে বিরত থাকা। এতে গ্রামের সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে গ্রামে শুধু ফলন কর খাবার যোগ্য ফল-মূল, আম-জাম, কাঁঠাল, আনারস, বরই, শলা, কমলা ও পেয়ারা ইত্যাদি। যে সব গাছ থেকে ফল আসবে না সেই সব ফলন করা থেকে বিরত থাকা ভাল সব সময়ের জন্য। পাহাড়ে ফলন হবে অন্যান্য প্রয়োজনীয় গাছ যা থেকে ভাল জাতের কাঠ পাওয়া যাবে।

গ্রামের পাশে বড় বাজার বানাইও না। বাজারকে শহর বানাইও না এই শহর হলো ধনতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার পরিপন্থি। বড় বড় শহর হলো পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থা বা মানুষকে অভাবী বানাইয়া রাখে। সুদে টাকা দেওয়ার জন্য। শুধু ৩ থেকে ৪ ঘন্টার জন্য বাজার বসাও। সন্ধ্যা হতেই বাড়ি যাও ঘরে থাক। মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সাথে সময় কাটান নিজে নাটক কর অধ্যায়ন কর। অভাবীদেরকে অভাব দূর করার পরিকল্পনা কর। এটাই মানুষের নৈতিকতা শিখাতে শুরু কর। যাদের ঘর তৈরির প্রয়োজন তাদের ঘর তৈরি করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী এতে যা প্রয়োজন তা হলো ছন, বন, বাঁশ ও বেত নিজেদের মহত শ্রম নিবেদনে ঘর তৈরি হয়। এইজন্য কেউ হায় হায় করিতে হইবে না। এইজন্য আর কোন উপাদানের প্রয়োজন নাই। গ্রামের বা অভাবী লোকদের অভাব মুক্ত করা চিন্তা করে পরিকল্পনা করে সহযোগিতা করে আদর করে সান্তনা দিয়ে মনবল ঘড়ে দিয়ে সমাজে অধিকার দিয়ে কাজে লাগাই একে অপরের উপর আস্থাশীল হওয়ার পরিবেশ তৈরি করা হলো কল্যাণ কর সমাজ ব্যবস্থা। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা। আমাদের সমাজের কল্যাণ আনিবে না। কারণ এর মধ্যে আমাদের ঐতিহ্য থাকিবে না। যা শিখানো হবে তা সুদে আসলে লাভ করা যায় যে প্রকারে, সেই প্রকার শিক্ষা দেওয়া হইতেছে। সুদ আসল লাভ যতদিন শিক্ষা দেওয়া হইবে ততদিন মানুষ অভাব মুক্ত হইবে না। যারা ডাক্তার, কবিরাজ, বিজ্ঞানী কারিগরি শিখতেছেন। তারা ছাড়া অন্যরা অর্থনীতি পরিকল্পনা কর। বিদেশী অর্থনীতি ও পরামর্শ পরিহার কর। গ্রামবাংলার মানুষকে নিয়ে অর্থনীতি পরিকল্পনা করে কাজ কর। স্টক মার্কেট যাওয়া থেকে বিরত থাক। একদিন কোটিপতি হয়ে জীবন-যাপন করা আনন্দের হয় না। অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের আওতায় আসে খাদ্য উৎপাদন। খাদ্য মজুদ করা প্রতিটি পরিবারের জন্য নিজ নিজ এলাকায়। কাপড়-চোপড় উৎপাদন, ছন, বন যা বাসস্থান তৈরি করতে কাজে আসবে। কি করে রোগ প্রতিরোধ করা যায় সেই পরামর্শ দেওয়া। এই কথা অনেক গুরুত্বপূর্ণ রোগ প্রতিরোধ করার পরামর্শ খাওয়া-দাওয়া ব্যায়াম খেলাধুলা নিজেকে নিজে যত্ন নেওয়া। নিজের অসুবিধা যেমন করে না হয় সেই দিকে খেয়াল রাখা সচেতন হওয়া নিজের অসচেতনার কারণে অন্যের ক্ষতি বা কষ্টের সম্মুখীন না হয় সেদিকে খেয়াল করার মনোনিবেশ আনা কল্যাণকর, সামাজিক নিরাপত্তা আসবে অর্থনৈতিক কর্মের সাথে সাথে।

এইগুলো অনুসরণ করলেই ধীরে ধীরে পরিবর্তন হতে লাগবে। যদি কেউ যক্তি আনে মানুষ বেকার হয়ে পড়বে সমাজে উপদ্রব বাড়বে। এটা এমন হবে না সমাজের মানুষ স্বস্থির হবে ভাল মনো-মানসিকতা তৈরি হবে। হয়তো শতকরা ১ জন হতে পারে খুব দুরন্ত চালাক সে চায় তার প্রভাব অন্যজনের উপর খাটাতে এবং সে নিজেকে দুরন্ত চালাক প্রমাণ করিতে চাইবে। এমন জনকেও সাথে রাখিয়া কাজ করাইয়া পরিশ্রমী করে তৈরি করতে হবে। আর এই মানুষের মেধাকে ক্রয় করে রাখতে হবে সমাজের সকলের কাজ আসে বা তাকে দিয়ে কঠিন কাজ সারানো হতে হবে। এতে করে তার জ্ঞানকে কাজে লাগানো যায় সমাজের জন্য। একা কারও জন্য নয় একা কারও জন্য হল জুয়া খেলার প্রথা। যদি কোন পরিবার প্রথমে সহযোগিতায় না আসে তার পরিবারের প্রতি অসন্তুষ্টি হই না বা বিদ্রুপ করিও না। তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাক। যদি তারা উপদ্রব করে এমন অবস্থা হয় নিজের এলাকায় অবস্থান করিতে পার না। নিজ পরিবার নিয়ে অন্য জেলায় চলে যাও এই এলাকা ছেড়ে নতুন জীবন শুরু কর তবে গ্রামে গঞ্জে পাহাড়ে জঙ্গলে থাকি শহরে যাইও না। যত সময় মন মত স্থান পাও নাই পাহাড়ে জঙ্গলে চলতে থাকিও। পাহাড়ে জঙ্গলের বাবুদের কাছে আশ্রয় চাইয়া নিও।

যখন কোন পরিবারের ছেলেরা কাজ না করে বেকার থাকতে পারে। তখন কৃষক পরিবারের ছেলেরা ও অভাব না থাকিলে বেকার থাকিয়া ঘুরালে অসুবিধা কোথায়। কোন অসুবিধা থাকে না বেকার ও থাকে না। সকলই কোন না কোন কাজে যুক্ত আছে এবং তা সকল দেখতে পারতেছে এমন হওয়া দরকার আছে। শুধু টাকার পেছনে দৌড়াইও না। আমাদের দেশের শিল্পপতিদেরকে বাঁচাতে হবে। তাদের এই মুক্ত বাজারে টিকে থাকা সম্ভব হবে না। এদের চেয়ে বড় বড় সাগরের মাছ তাদেরকে গিলে ফেলবে। তারা টেরও পাবে না। এইজন্য দেশের উৎপাদিত পন্য ব্যবহার করার নৈতিকতা অবলম্বন করা অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। গুনগতমান যেমনই থাক সাদরে গ্রহণ করা ভাল। বনাজি ঔষধ বা দেশিও ঔষধ গ্রামীন ঔষধ ব্যবহার করা শিখে নিও। এতে রোগ আরগ্য হয়। শহর ছেড়ে আসলে অনেক প্রকার রোগ আসবে না। কিন্তু শহর বানাইয়া গ্রামকে দিলে হবে না। এখানে যানবাহন ব্যবহার করিও না। পায়ে হাটা, নৌকায় চলা ইত্যাদি অভ্যাসে আনতে হবে। দেশের উৎপাদিত পন্য দ্রব্য দেশের বাহিরে না গেলে দেশের ভিতর অভাব থাকবে না এতো দাম ও থাকবে না। নিজ নিজ এলাকায় উৎপাদন করতে প্রস্তুত হতে হবে। এতে মন ভাঙ্গিলে হবে না। মনে রাখতে হইবে মরার জন্য বাঁচতে হবে। বাঁচার জন্য মরিও না।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *