১   রাষ্ট্রপতি

২।   প্রধানমন্ত্রী

৩।   জাতীয়  সংসদ স্পীকার

৪।    প্রধান বিচারপতি

৫।    সংসদ উপনেতা

      – চীফ হুইপ

       – সংসদের ডেপুটি স্পীকার

       – সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা

৬।    মন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন ( মন্ত্রীসভার সদস্য নয় ) ব্যক্তিবর্গ

৭।    বাংলাদেশে নিযুক্ত  পূর্ণ ক্ষমতাসম্পন্ন  রাষ্ট্রদূত  ও  কমনওয়েলথভুক্ত  দেশ সমূহের হাই কমিশনারগণ

-বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ এর  বিচারপতিগণ

       – দুর্নীতিদমন কমিশনের চেয়ারম্যান

       – জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান

       – বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটর কমিশনের চেয়ারম্যান

৮।     বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এর  বিচারপতিগণ

        – দুর্নীতিদমন কমিশনের কমিশনারগণ

        – এটর্নি জেনারেল

         – হুইপ

৯।     নির্বাচন কমিশনারগণ

        – প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন  ব্যক্তিবর্গ

১০।    প্রজাতন্ত্রের  উপমন্ত্রীগণ

১১।    বাংলাদেশে নিযুক্ত কূটিনৈতিক  ও পূর্ণ ক্ষমতা সম্পন্ন মন্ত্রীবর্গ

         –  উপমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ

১২।    মন্ত্রীপরিষদ  সচিব

        – সেনা , নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানগণ

        – প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

        – সংসদ সদস্যগণ

১৩।    বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক , ও ন্যয়পাল

১৪।     বাংলাদেশে নিযুক্ত নন এমন  সফররত বিদেশী রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনার

১৫।     পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যন

          –  বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর

          – সরকারের সিনিয়র সচিবগণ

          – পুলিশের মহা পরিদর্শক

          – বিচার বিভাগের  সিনিয়র জেলা  ও দায়রা জজগণ

          – সেনাবাহিনীর লেফটেন্যন্ট জেনারেল এবং নৌ ও বিমান বাহিনীর  সম মর্যাদা সম্পন্ন কর্মকর্তাগণ 

          – বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল

১৬।     সরকারের সচিবগণ , জাতীয় সংসদ এর সচিব সহ

           – সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল এবং নৌ ও বিমান বাহিনীর  সমমর্যাদা সম্পন্ন কর্মকর্তাগণ

           – বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্টারগণ

           – পরিকল্পনা কমিশনের  সদস্যবৃন্দ

           – বিশ্ববিদ্যালয়ের  মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যন

           – বিচার বিভাগের জেলা ও দায়রা জজগণ

           – মহানগর দায়রা জজগন

১৭।       সরকারের সচিব পদমর্যাদা সম্পন্ন  কর্মকর্তাগন

           – জাতীয় নিরাপত্তা  গোয়েন্দা  সংস্থার মহাপরিচালক

           – প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিচালক

           – মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক 

           – বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্যগণ

           – জাতীয় অধ্যাপকবৃন্দ

           – বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্যগণ

           – বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত রেজিস্টারগণ

           – বিচার বিভাগের চীফ  জুডিশিয়াল   ম্যজিস্ট্রেটগন

           – চীফ  মেট্রোপলিটন  ম্যজিস্ট্রেটগন

           – অতিরিক্ত জেলা   ও দায়রা  জজগন

           – অতিরিক্ত মহানগর  দায়রা  জজগন

১৮।      সিটি কর্পোরেশন এর মেয়রগণ (স্ব স্ব এলাকায় )

১৯।      অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল

           – সরকারের অতিরিক্ত  সচিবগণ

           – বাংলাদেশ পরমাণু  শক্তি কমিশনের  চেয়ারম্যন

           – বাংলাদেশ  রাসায়নিক  শিল্প  কর্পোরেশনের চেয়ারম্যন

           – বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের  চেয়ারম্যন 

           – দুর্নীতি  দমন  কমিশন এর মহা পরিচালকগণ

           – বাংলাদেশ  পানি উন্নয়ন  বোর্ডের  চেয়ারম্যন

           – বিদেশী রাষ্ট্র সমূহের অন্তর্বর্তীকালীন চার্জ – ডি – অ্যাফেয়ার্স

           – ব্যবস্থাপনা পরিচালক , বাংলাদেশ  কৃষি ব্যাংক

           – ব্যবস্থাপনা পরিচালক , সোনালী ব্যাংক

           – সিলেকশন গ্রেডের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকগণ

           – বাংলাদেশে সফররত রাষ্ট্রদূত ও  হাই কমিশনারগণ

২০।      চেয়ারম্যন , বাংলাদেশ  বিজ্ঞান ও শিল্প  গবেষনা পরিষদ

           – চেয়ারম্যান , বাংলাদেশ চা বোর্ড

           – সরকারের প্রধান স্থপতি

           – প্রধান বন সংরক্ষক

          – প্রধান প্রকৌশলী , সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর

          – প্রধান প্রকৌশলী , গণপূর্ত অধিদপ্তর

          – স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের  মহাপরিচালক

          – পরিকল্পনা  কমিশনের বিভাগীয় প্রধান 

           – ব্যবস্থাপনা পরিচালক , বিমান বাংলাদেশ 

           – পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্যবৃন্দ

            – জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্যগণ

            – সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার  কর্মকর্তাগন

            – ভাইস চেয়ারম্যান , রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো

২১।      বিভাগীয় কমিশনারগণ

           – স্ব স্ব  দায়িত্বের আওতায়  অতিরিক্ত পুলিশ  মহাপরিদর্শকগণ

           – চেয়ারম্যন , বেসামরিক বিমান চলাচল  কর্তৃপক্ষ

           – বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি  রেজিস্টারগণ

২১।        সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং নৌ ও বিমান বাহিনীর সমপদ মর্যাদার কর্মকর্তাগণ

             – সার্ভেয়ার জেনারেল অব বাংলাদেশ

             – সরকারের যুগ্মসচিবগন

             – আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক

২১।         মহাপরিচালক, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট  অধিদপ্তর

             – আমদানি  ও রপ্তানির প্রধান নিয়ন্ত্রক

             – প্রধান প্রকৌশলী , স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর

২১।         প্রধান  প্রকৌশলী , জাতীয় গৃহায়ন  কর্তৃপক্ষ

             – প্রধান  প্রকৌশলী , জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর

             – ব্যবস্থাপনা পরিচালক ,  বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন

             – আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমূহের ব্যবস্থাপনা পরিচালক

             – ব্যবস্থাপনা পরিচালক , বাংলাদেশ চলচিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন

২২।         অতিরিক্ত প্রধান স্থপতি

             – অধিদপ্তর সমূহের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীগণ

             – স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত  মহাপরিচালক

             – বিভাগীয় কমিশনারগন ( স্ব দায়িত্বের আওতার বাহিরে )

             – কর কমিশনারগণ

             – বিদেশী ও কমনওয়েলথ  সরকারের দূতাবাস হাই কমিশন ও লেগেশনের কাউন্সিলর

             – কারা মহাপরিদর্শক

২২।          উপ মহাপুলিশ পরিদর্শকগণ 

               –  স্ব স্ব দায়ীত্বের আওতায় পরিকল্পনা কমিশনের যুগ্নপ্রধান

               – সেনাবাহিনীর  পূর্ণ কর্ণেল  পদমর্যাদার  কর্মকর্তা এবং সমপর্যায়ের নৌ ও বিমান বাহিনীর    

                 কর্মকর্তা

               – যুগ্মসচিব   পদমর্যাদার  সরকারি  কর্মকর্তাগণ

২৩।           মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের  অধ্যাপকগণ

২৩।           দূতাবাস এবং লেগেশনের  সেনা , নৌ , বিমান  এবং হাই কমিশনে সংযুক্ত সেনা , নৌ, এবং   

                 বিমান বাহিনীর  উপদেষ্টা

২৪।           জেলা প্রশাসকগণ (স্ব স্ব দায়িত্বের  আওতায় )

                – বিচার বিভাগের সিনিয়র  জুডিশিয়াল  ম্যাজিস্ট্রেট গণ

                – সিনিয়ন সহকারী জজগন

                – পুলিশের উপ মহাপরিদর্শক

                – জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান

                – কমান্ডার , বাংলাদেশ মেরিন একাডেমী

                – সেনা বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্ণেল পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং সম পর্যায়ের নৌ ও বিমান

                  বাহিনীর কর্মকর্তা            

২৫।           সরকারের উপসচিবগণ

               – পুলিশসুপারগণ (স্ব স্ব দায়িত্বের আওতায় )

               – সেনাবাহিনীর মেজর পদমর্যাদার  কর্মকর্তা  এবং সম পর্যায়ের নৌ ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা

২৫।          সিভিল সার্জন (স্ব স্ব দায়িত্বের আওতায় )

               – বাংলাদেশ সুপ্রীম  কোর্টের সহকারী রেজিস্টারগপণ

               – উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যন

২৫।            প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা

                 প্রথম শ্রেনীর পৌরসভাগুলোর চেয়ারম্যান  নির্বাচিত স্বস্ব দায়িত্বের আওতায়

আমার প্রিয় এলাকাবাসী , আজ আমি কিছু  কথা  আপনাদের সাথে জানাজানি করার  উদ্দেশ্য নিয়েই লিখতেছি । একদিন সকাল বেলা খবর এল  গ্রামে যে ,  কন্টেকটার সাহেব ডেকেছেন সকল কে । তিনি সড়ক বানাবার জন্য এসেছেন । এখনকার ময়নাগঞ্জ  সেই জায়গায়  ময়দান , ঘাস জমি  ছিল  সেখানে তাবু টানিয়ে বসে ছিলন  কন্টেকটার সাহেব । সেখানে আমরা  চার গ্রামের মুরুব্বিরা , গ্রাম প্রধান সবাই উপস্তিত ছিলেন । কথা শুধু হল , যেখান দিয়ে আইল কেটে  জগন্নাথপুর সেই সময়ের গাড়ি যাতায়াত  করতে , শুকনো মৌসুমে , শীতকালে , সেই জায়গা দিয়ে  মাটি  কেটে সড়ক হবে  । মুরুব্বিরা বললেন  আমাদের অনেক  ফসলি জমি  নষ্ট হবে , পানি চলাচলের অসুবিধা হবে । আপনি আমাদের  

রাজ আইল কে প্রশস্ত করে  বানাতে পারেন , ডানে ও বামে দুইটা রাজ আইল আছে । কিন্তু না , উনি করবেন এই জায়গায় । তিনি এখগানে কাজ করার অনুমতি নিয়ে এসেছেন । তারপর যার যার বাড়ী  সবাই চলে গেলেন , পর দিন থেকে  মাটি  কাটা শুরু হল  । এই বছর থেকে আর বাস আসে নাই জগন্নাতপুর যাওয়ার জন্য ।   সেই থেকে শুরু হয়ে ১৯৮৪ সালে মনে হয়  কালিগঞ্জ পুল হওয়ার পর বাস চলাচল  শুরু হল । এখন কথা হল , এই সড়ক হওয়াতে  আমাদের যে পরিবেশ এর ক্ষতি হল , সেই হিসাব টা কেউ দেখতে চায় নাই । সরকার  রাজধানী তে বসে পরিকল্পনা করে দিয়ে দিল । স্থানীয়  জনগন কি চায় বা কি প্রকার তাদের সুবিধা  হয় , সে বিষয়ে জানতে চায় নাই । এই টা হল আমার আলোচনার বিষয়বস্তু । এই কারণে বলা হয় , গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা , জনগনের মতামত  নিয়ে পরামর্শ করে  কাজ করা , যাতে করে সকল প্রকার সুবিধা  বজায় রেখে দেশ ও সমাজের  উন্নতি সাধন  করা যায় । উক্ত যায়গায় আমাদের শুষ্ক মৌসুমে খেলাধূলা করা হত , বাস আসত আমরা  দৌড়াইতাম । বৈশাখ  আসতেই পানি হয়ে যেত , নৌকা  নিয়ে বের হয়ে যাইতাম । এখান দিয়ে এই এলাকার পানি হাওরে গিয়ে মিলিত হত । এর পর ১৯৯০ সাল থেকে উজানে  পানি আসা কমে যায় । যার জন্য অনেক নদী পলি মাটিতে ভরে গিয়ে , নদী-নালা বিলীন হতে লাগলো । আমাদের অনেক ধানী জমি নষ্ট হল , পানি চলাচল নষ্ট হল । তারপর ২০২৩ সালে আমাদের খালের উপর কালভার্ট  তৈরী  করা হল । এতে পানি আরও বাধাগ্রস্থ হয় । যখন উজানের পানি আসবে , তখন যাবার পথ থাকবে না । আমরা প্লাবিত হব , এবং এই সব কাজ জনগনের ভালোর জন্য । একটি গোষ্ঠীর শাসক শ্রেণীর জন্য , লুটপাট করার জন্য ।

এইসব শাসন ব্যবস্থা থেকে বের হতে আমাদের প্রয়োজন , ইউনিয়ন পরিষদ ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা । যেখানে সকল প্রকার প্রশাসনিক কার্যক্রম  পরিচালনা করার জন্য প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হবে ।  সকল প্রকার প্রকল্প বাস্তবায়নে জনগনের ভোট নিয়ে রায় বাস্তবায়ন করতে হবে , এবং ইউনিয়ন পরিষদ  পরিচালিত হওয়ার জন্য  ৪০ জন সদস্য থাকা প্রয়োজন । একজন প্রধান ব্যক্তি ১ বছরের জন্য এই ৪০ জন সদস্য মনোনিত করবেন ।

আমাদের পাশে  দুইটি হাওর এর উপর মাটি  কেটে সড়ক দিয়ে হাওরের  পানি চলাচল বন্ধ করে রাখা হয়েছে ।  আমি স্কুলে যাওয়া আসা করতাম , তখন শুরু হয়েছিল , তখনই আমি আমার মন থেকে খুব দুঃখ বোধ করতাম । এই কাজ কে সমর্থন করি নাই । এখানে প্রয়োজন ছিল , লোহার দ্বারা উড়াল ব্রীজ দেওয়া । এখন ও সময় আছে , আয়রন ব্রীজ দিয়ে  সারা হাওড় কে পানি  চলাচল  করার  ব্যবস্থা করা সম্ভব । এতে আমাদের আবহাওয়া শীতল থাকবে ,এলাকায় বাসযোগ্য পরিবেশ থাকবে ।  


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *