আপনার দাবি সরকার মেনে নিল, কিছু মানুষ চাকুরী পেল তারপর অবস্রহা ফিরে যাবে আজকের যায়গায় । যত অরাজকতা আছে, প্রশাসন এ , তা যদি সংস্কার না হয় ঘোলা জল থাকবেই । তার ক্ষমতা যতদিন এক গোষ্ঠী মানুষের কাছে থাকবে, ততদিন, পরিপূর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না । তাই আমদের ভাবতে হবে, প্রশাসনিক ব্যবস্থা পরিবরতন করা যায় কি প্রকারে । প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসলে, সমাজ ও রাষ্ঠ্র পরিচালনায় শান্তি আসবে, যা আমরা সকলেই চাই । গ্রাম বাংলা গণতান্ত্রিক দল  একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে চায় । আমি অনুরোধ জানাই । আপনারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে পড়তে পারেন, সম্পূর্ণ ব্যবস্থা আছে সেখানে । সংগ্রাম বার বার করা যায় না, সংগ্রাম তৈরী হলে, তাকে ধরে রাখতে হয় , এবং রাষ্ঠ্র ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হয় । নিজেদের কাছ ক্ষমতা রাখতে হয়, আমলাদের কাছে বা নেতাদের কাছে ছেড়ে দিতে নাই । যতদিন পর্যন্ত পরিবর্তন না করা হয়েছে, ততদিন জনগন স্বস্থিতে  জীবন-যাপন করতে পারবে না । একের পর এক বাধা আসবেই । এই অবস্থার থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য আমাদের প্রশাসনিক ব্যবস্থার নতুন করে বাস্তবায়ন করতে হবে , এবং আমাদেরকেই তা রূপদান করতে হবে । আর তাই আমি আপনাদের  আহবান জানাই, আমার কাছে নিম্নলিখিত একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরী করা আছে । আমার বিশ্বাস, এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করিতে পারলে, আমরা ২০ কোটি মানুষ বেঁচে যেতে পারি এবং স্বস্থিতে জীবন-ধারন করার আশা করতে পারি । আসুন, আমরা আলোচনার দুয়ার খোলি । ছোট আকারে সংসদ ঘরে করে বিস্তারিত আলোচনা করি । যারা রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিয়ে আলাপ করতে পারবেন, সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই । দেশ, বিদেশে সর্বত্র আলোচনা প্রয়োজন ।

ছাত্রজনতা  আজ প্রেসিডেন্ট এর  কাছে তমাদের যাওয়া প্রয়োজন । তোমরা গিয়ে বলো, পুরোনো সকল রাজনীতিবিদদের অবসর গ্রহন করতে হবে বাধ্যতামূলক । সকল আইনজীবীদের উচ্চ আদালত এর সকল প্রকার কাজকর্ম থেকে অবসর গ্রহণ করে নিতে হবে । যত পুরোনো সব কর্মচারীদের কে অবসর এ যেতে দিন । তারা যেন আর সরকারী বা পঞ্চায়েতি কাজে অংশগ্রহণ না করেন  । পুরোনোদের কে অবসর গ্রহণ করতে বাধ্য করেন । শুধু ব্যক্তিগত ব্যবসা করতে পারবেন, ব্যক্তিগত কাজ করতে পারবেন । ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা হোক , সকল প্রকার সেবা দান করা হোক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে । অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা , সামাজিক নিরাপত্তা , বিচার ব্যবস্থা সহজ করে প্রদান করা হোক । জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন বন্ধ করা হোক । আজ থেকে কোনো জমি জেলা প্রশাসক এর অধীনে থাকবে না  । কোনো জমি অধিগ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে । যারা বিদেশে চলে গেছে তারা আর দেশে আসতে পারবে না, বন্ধ করা হোক । যে বা যারা  অতীতে বিচারিক সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, তারা কোনো প্রকার জনসেবামূলক কাজে আসতে পারবে না । পুরোনো সকল সমাজসেবীদের অবসর গ্রহণ করতে হবে । নতুনদের এই স্থান পুরণ করতে  অবশ্যই তাদের প্রশিক্ষন দিতে হবে । ভোটাভোটি না করে জনগণ এর প্রত্যক্ষ ভোট গ্রহণে জনপ্রতিনিধি নিয়ে সংসদ পরিচালনা করা আমাদের জন্য প্রয়োজন । ভোট গ্রহণ করা হলে, সেই পুরোনো ব্যবস্থা কে আবার পালন করা হবে । পুরোনো নেতা-নেত্রী কে আর কোনো সুযোগ না দোয়া উচিত হবে ।

আর রাষ্ট্রপতি ১০০ সদস্য নিয়ে সুপারিশ কাউন্সিল গঠন করতে হবে । তারা হবেন  সর্বোচ্চ আদালত । আবার ও যারা কবভর জিয়ারত করে রাজনীতি করবে তাদের কে জনসেবা করার প্রয়োজন নাই । তারাই স্বৈরাচারী সরকার  তৈরী করে, তারা তাদের স্বার্থে কাজ করে । তাই সকল পুরোনো রাজনীতিবিদ কে এবং সুশীল সমাজকে ও রাজনীতি থেকে পরিহার করতে হবে ।  প্রমোশনের  উরধতনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবসরে দিতে হবে । সবকিছু ধীরগতি হবে । এবং এখন থেকে বাধ্যতামূলক রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজে পড়াতে হবে । সবাই রাষ্ট্র পরিচালনা জানতে হবে ।  এই দাবী আদায় কর । যা আমি লিখলাম তা তুমি প্রচার কর । এই সময়ে আমি যাহা করতে চাইতে পারিতাম তা হল , ১০০ জন রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট জন কে নিয়ে রাষ্ট্রপতির সভাপতিত্বে মহা পরিষদ তৈরী করতাম, এবং সেখানে নতুন করে আলোচনা শুরু হলে সকল কে তাতে যোগদান করার সুযোগ করে দেওয়া হত । 
যেমন , পুলিশবাহিনী কে কোনো সরকার  জনগনের বিরুদ্ধে দমন্মূলক আচরন করার জন্য আদেশ দিতে পারবেন না । তাদের হাতে বন্দুক থাকতে পারবে না । এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করে ভোট গ্রহন করে সিদ্ধান্ত নিতে পারা যায় । পুরোনো রাজনৈতিক দল না চাওয়ার পক্ষে কতজন আছে, তা জানার জন্য যে ব্যবস্থা সেগুলো ভেবেচিন্তে বের করা যায় । আমরা স্থানীয় সরকার এর মাধ্যমে সংসদ নির্বাচন করে নিতে পারি । স্বতন্ত্র  প্রার্থীদের নিয়ে ৬০০ সাংসদ হতে হবে । জনগন যাদের কে নিরবাচন করবে, তাদের কে নিয়ে সংসদ পরিচালনা করা যাবে । এখান থেকে এক জন প্রধানমন্ত্রী বানানো হতে পারে এক বছরের জন্য , বা যতদিন এই সংসদ চায় । এই সংসদ দ্বারা আইন পাশ করে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে সংস্কার করা সম্ভব । যেমন , আমি চাই নির্বাচন কমিশন থাকবে না, ডি সি , জেলা কমিশনার থাকবে না, উপজেলা পরিষোদ থাকবে না, র‍্যব থাকবে না । সুপ্রিমকোর্ট মহাপরিষদ এর আওতাধীন থাকবে । হাই কোর্ট মহাপরিচালক এর আওতাধীন থাকবে ।  সরকারী  চাকুরী ২৫ বৎসর থেকে যোগদান করতে পারেন ৫০ বৎসর পর্যন্ত । সরকারী চাকুরী এত ধাপ না রেখে তিন ধাপ রাখা ভাল । যানবাহন চলাচল এর জন্য  যে দিক-নির্দেশনা বই এ লেখা হবে সেই আইন মেনে চলতে হবে । আমরা যদি চাই  যে স্বৈরশাসক দের থেকে তা হলে আমরা দলীয় রাজনীতিক দের হাতে দিতে পারি না । তাই এই অরাজকতা  থেকে  বেঁচে থাকতে হলে , দেশের নাগরিকদের সুশাসন ব্যবস্থা দেখাতে হলে পুরোনো দলীয় রাজনীতি বন্ধ থাকতে হবে  । এমন টা আমি মনে করি । বে আইনি যত সম্পদ করেছেন যে বা যারা সব সম্পত্তি বিক্রয় করে বিদেশি ঋণ শোধ করতে বলবো । মানুষ যদি সোনাদানা দেশে আনতে চায়, সরকার মানা না করলেই ভালো । এতে ভালো হতে পারে আগামীতে । 
পানি উন্নয়ন বোর্ড কে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে । যেখানে সেখানে প্রকল্প করা বন্ধ করতে হবে । স্থানীয় সরকার বিভাগ কে কার্যকরী করে সকল কাজ এর অগ্রগতি বাড়াতে হবে । এই বিভাগ রেখে বাকি সব বন্ধ করতে হবে । এই কাজ জরুরি হয়েছে, নির্বাচন কমিশন বন্ধ ঘোষনা দেন । রাজউক কে চার ভাগে ভাগ করে দেন । রাজধানী উন্নয়ন কর্পোরেশন কে চার ভাগে ভাগ করে ইউনিয়ন পরিষোদ তৈরী করে দেন । যেসব দল ছাত্রদেরকে তাদের লাঠিয়াল বাহিনী বানিয়ে ব্যবহার করেছেন, তাদের কে আর নির্বাচন করতে বৈধতা দেওয়া যায় না । এবং এখন থেকে এই ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে আইনি ব্যবস্থায় । নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশ চলতে পারে না , এই কথা মেনে নিতে কষ্ট হয় । যারা দেশ পরিচালনা করেছেন, তারা তাদের দলনেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে অনেক মানুষ দলবাজি করেছেন , এবং দেশের সকল প্রকার অরাজকতা করা হয়েছে । এইসব কারণে নির্বাচিত সরকার না হওয়ার পক্ষে , ৭১ এর সংবিধান পরিবর্তন করতেই হবে  ।  দেশের ১৭ কোটি মানুষের সংবিধান হতে হবে । আম্র পরিকল্পনায় দেশের সকল নাগরিকদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান , শিক্ষা, চিকিৎসা, বিচার ব্যবস্থা, নিরাপত্তা সাংবিধানিক আইনে দিতে বাধ্য থাকিবে । এবং তা হবে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে । অতীতে যা হয়েছে তা পরিবর্তন করতে হবে । গ্রাম আদালত বন্ধ করতে হবে । গত বছরগুলোতে ছিন্নমূল পরিবারের আবাসন প্রকল্প নির্মূল করতে হবে । সকল জমি খালি করতে হবে । প্রতিদিন রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ করতে হবে, নাগরিকদের সাধারণ নিত্যনৈমিত্তিক কাজ শান্তিপূর্ন ভাবে সমাধান করার সুবিধা দিতে হবে ।  প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ এ বিচারিক কাজকর্ম শেষ করার জন্য মোবাইল কোর্ট দেওয়া হবে, যারা পুলিশের কাছে অভিযোগ বা মামলা করার জন্য যাবেন । তারা সেখানে অভিযোগ না করে যাবেন । মোবাইলকোর্ট টিম আসবেন , তারা সবকিছু দেখে শুনে সকল প্রকার তথ্য সংগ্রহ করে বিচার করে যাবেন । তারা যাকে দোষী সাব্যস্ত করবেন, সেখানে জরিমানা আদায় করবেন সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা । এবং এইসব অপরাধ আবার করিলে ৬ মাসের জন্য ঘর বন্দি তগাকবেন, তার পরে অ হলে হাজতবাস করতে হবে । পুলিশের কাজ হবে মোবাইলকোর্টের আদেশে । মোবাইলকোর্টের আদেশ ছাড়া তারা কোনো কাজ করবে না । এইসব আইনে পরিনত করতে হবে, আলোচনা করে । এই ব্যবস্থা তিন বছরের জন্য থাকবে । পরে আবার আইনটি নবায়ন করা হবে । 
 
আমি আপনাদের কে অভিনন্দন জানাই । আমি এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা লিখেছি ১৯৯৯ সালে । ২০০২ সালে আমি পত্রিকায় দেই । অনেক সাড়া পেলেও প্রবাসে থাকার কারণে , আজকের সাংগঠনিক কাজ করতে পারি নাই । যদিও প্রচারণার জন্য অনেক টাকা খরচ করেছি । আজ আপনাদের সংগঠিত করার জন্য মোজাম্মেল হক চেষ্টা করিতেছেন, সেটা আমাকে অনেক আশাবাদী করে তুলেছে । আমি বিশ্বাস করি, আমার এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করিতে পারিলে , বাংলাদেশের সকল নাগরিকগণ কে , রাষ্ট্র তার নাগরিকদের কল্যণমূলক সমাজব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবে । প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ তার নাগরিকদের সেবা পৌঁছাবে , কেউ অবহেলিত থাকবে না । অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা। চিকিৎসা , বিচার ব্যবস্থা, সব করের অর্থ থেকে প্রদান করিবে । তারপর সরকার ভর্তুকি  দেবে , যেখানে প্রয়োজন হবে । এই প্রশাসনিক ব্যবস্থার উপরে কোনো স্তর থাকবের না । যা থাকবে তা মন্ত্রণালয় গুলোতে থাকবে । আপনারা মনযোগ দিয়ে সাংগঠনিক কাজ করে সকল নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ্ব করবেন । আমি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বাস্তবায়ন করতে চাই, প্রতিটি কাজ কর্মে নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চত  হওয়া চাই । নাগরিকদের সমর্থন ছাড়া কোনো কাজ সম্পাদন করা হবে না । সব কিছুর মীমাংসা ইউনিয়ন পরিষদ কে করতে হবে । এটাই আমাদের গন্তব্য স্থান । 
জেলা প্রশাসক থাকবে না , উপজেলা প্রশাসক থাকবে না , জেলা পরিষদ নির্বাচিত জন প্রতিনিধি থাকবে না । এখানে কর্মকর্তারা কাজে নিয়োজিত হবেন ২-৩ বছরের জন্য । আন্ত জেকাল তথ্যবিষয়ক জমা হবে , লিখিত দলিল হবে যা মন্ত্রণালয়েও থাকবে । সকল জেলার সভাকক্ষ হবে , সব গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে সভা হবে । সংসদ সদস্যদের কোনো বরাদ্দ থাকতে পারবে না  । এমপিভুক্ত স্কুল থাকতে পারবে না । কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মশুচি থাকতে পারবে না । 
উপজেলা চেয়ারম্যনরা ও উপজেলা অফিসার যা কাজকর্ম করেছেন তার জবাবদিহিতা বিচারিক ব্যবস্থায় এনে সমাপ্ত করতে হবে । তাদের কাজের মধ্যে , জনগনের মত প্রকাশের কোনো সুযোগ দেওয়া হয় না । যেখানে যা ইচ্ছা করা হয়েছে । তার প্রতিকার বিচার ব্যবস্থায় হতে হবে । গোপনীয় কোনো চুক্তি হতে পারবে না । যেখানে সেখানে গুচ্ছগ্রাম হয়েছে সেগুলোকে আবার স্থানান্তর করতে হবে ,ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্বে । 
জনাব , আপনারা রাষ্ট্র মেরামত না করাই ভাল । আপনারা ভালো কিছু করতে পারবেন বলে মনে করি না । আপনারা দেশের অপব্যয় বন্ধ করেছেন, তলাবিহীন ঝুড়ি কে মেরামত করেছেন , কিন্তু আসল কাজ যাহা আপনাদের চিন্তায় আসে নাই  আসার কথা ও নয় , তবে আমি মনে করি সবকিছুর মূলে হল ইউনিয়ন পরিষদ কে আমার গবেষণা থেকে সর্বময় ক্ষমতা দিয়ে , শক্তিশালী ক্ষমতা প্রধান করেন । দেশ শান্তি হয়ে যাবে । বর্তমান সরকার যদি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ইউনিয়ন পরিষদ কে করে দিতেন , সকল  পউরসভা, পৌর করপোরেশন ইত্যাদি কে এক স্তরে করে দিতেন, ইউনিয়ন পরিষদ দ্বারা পরিচালিত সকল জনসেবা এবং এর উপরে কোন স্তর থাকবে না । উপরে শুধুমাত্র  মন্ত্রীপরিষদ থাকবে । এবং মন্ত্রীপরিষদ ইউনিয়ন কে অর্থ প্রদান করিবে , ইউনিয়ন  অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিতসা, নিরাপত্তা, বিচার ব্যবস্থা ইত্যাদি প্রদান করবে । এই কাজটা করে দিলে ১৮ কোটি জনগন আপনাদের  মনে রাখবে সারাজীবন । 
 
জনাব, আপনি স্থানীয় সরকার আর্থিক স্বনির্ভরতা নিয়ে লিখেছেন পড়িলাম, একমত হবে না আপনার সাথে । আপনি দেশকে সমাজকে সিঙ্গাপুর বা অন্যান্য দেশের সাথে তুলনা করে উন্নত দেশ বানাতে চান । আর আমি চাই, আমাদের দেশ যে  প্রকার প্রাকৃতিক পরিবেশ নিয়ে এখন আছে , সেই প্রকার রেখে আমাদের চিন্তার ভিতর রেখে আমাদের মত করে উন্নত সমাজ তৈরী করিব । এত কর আদায় করে উন্নত সমাজ তৈরী করতে যাব না, যতদিন সমাজ আর্থিক দিক দিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ন হয়েছে । আপনার লেখায় যে ডিজিটালাইজেশন এর কথা বলেছেন, তা আমি মেনে নিতে পারি না । আর গ্রামবাংলা কে আপনি যে প্রকার দেখতেছেন তা হবে সম্পূর্ন অবাস্তব । এমন হোক আমি চাই না । বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জ আলাদা, সেই প্রকার আমি যে অর্থনীতি লিখেছি গ্রাম-গঞ্জের জন্য তা অর্থিনৈতিক মুক্তি আনবে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নতি সাধন করবে । আমার গবেষণা গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল এর কার্জক্রম সম্পূর্ন আলাদা । আমার প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ইউনিয়ন পরিষদ  সব ক্ষমতার অধিকার লাভ করবে  এবং নাগরিকদের অংশগ্রহণে সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে । এই টা হবে গণতন্ত্র । রাষ্ট্র মালিকানাধীন যতসব প্রতিষ্ঠান আয় করে থাকে প্রতিদিন সেইগুলো থেকে কেন দেশের জনগন কে তাদের অংশ দেওয়া হয় না । কাস্টম এবং যতপ্রকার আয়ের উৎস আছে যেমন, জাহাজ, ট্রেন, বিমান আরও শত শত শাখা-প্রশাখা থেকে আয় হয় , আমি চাই দেশের জনগন কিছু অংশ পেতে পারে ইউনিয়ন পরিষদ এর মাধ্যমে । আমি সরকার বানালে, প্রতিটি পরিষদ প্রতি বছর কোটি টাকার উপরে পাবে, উপরন্তু তাদের আয় থাকবে । এমন করে বৈষম্য দূর করতে পারব । 
 
নির্বাচন কমিশন একটিমাত্র থাকবে । স্থানীয় সরকার নির্বাচন কমিশন ।  ভোটার হাল নাগাদ এত সব থাকবে না । ইউনিয়ন পরিষদ যখন জন্মনিবন্ধন দিবে রেজিস্টার  অফিস থেকে , তার পর যখন তার ১৮ বছর বয়স হবে  সেদিন তার ভোটার কার্ড পাবে, এবং তালিকাভুক্ত হবে আপনাআপনি । বর্তমান সব অজুহাত হল মানুষ ঠকানো  ব্যবস্থা । কাজ না করে খাওয়া দাওয়া । বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা টাই এমন । এই থেকে আমাদের কে বের হয়ে আসতে হবে । আমার প্রশাসনিক ব্যবস্থায় কোনো নাগরিক অসহায় হবে না, সরকার সকলের সহায় হবে । আমি একটি কাজ করতে চাই , যেসব নদী ভরাট হয়ে বিলীন হয়েছে সেগুলোকে আবার খনন করে পুরোদমে সারা পথ খোলে দেওয়ার মত খনপন হবে , যাতে করে বর নদীর সাথে মিলিত হয় । আর যত বড় বড় বিশ্বরোড তার মধ্যে হাওরের যেসব অংশ মাটি দিয়ে ভরাট করে সড়ক হয়েছে সেখানে কালভার্ট তুলে  বড় লম্বা আকারে ঝুলন্ত লোহার ব্রিজ দেওয়ার ব্যবস্থা করবো। প্রতি  দুই কিলোমিটার পর পর খোলে দেওয়া হবে । এতে পানি চলাচল বাড়িতে পারবে । নির্বাচন এর পূর্বে প্রথম  সংস্কার দরকার, সংসদ সদস্যদের  বাণিজ্য বন্ধ করতে বাধ্যতামূলক আইন চাই । এম পি ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কে মুক্ত করে দিতে হবে । এলাকার উন্নয়নের জন্য টাকা বরাদ্দ বন্ধ করতে হবে । সাংসদ দের টাকা দিতে পারবেন না সরকার বা দল । উপজেলা ইউ এন ও  বাতিল চাই । উপজেলা  চেয়ারম্যান বাতিল চাই, জেলা  প্রশাসক বাতিল চাই । শুধু চাই, ইউনিয়ন পরিষদ  সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করবে । সকল পরিষেবা তারা দিবেন । 
আমার দৃষ্টিতে দেশের বড় দলের রাজনীতিবিদ, তারা প্রায় সকলই দলীয় নির্দেশনায় রাজনীতির কথা বলেন , এর বাহিরে চিন্তা ও করতে  পারেন না ।  সেখান থেকে ব্যক্তি  পূজা শুরু  হয়, আর সেখান থেকে  বের হতে পারে না  স্বার্থের  কারনে । আর প্রতিটি বড় দল তৈরী হয়েছে সময় সাপেক্ষে , যখন সুযোগ পেয়েছেন , তখন তৈরী হয়েছে তাই দলীয়দের ১০০ ভাগ উন্নয়ন হয়েছে । ১৬ কোটি জনগোষ্ঠীর , গ্রামগঞ্জে থাকা তাদের তেমন টা হয় নাই । তবে তাদের ভাগ্য বিদেশের কর্মসংস্থান হয়েছে , তাই দেশের রাজনীতিবিদদের উপর জাতীয় ভরসা ভরপুর নয় , অন্তর থেকে নয়, আত্মবিশ্বাস থেকে নয় । এই জন্য তারা তাদের দলীয় স্বার্থে ও নির্দেশনায় চলতে থাকে । তাই দেশে এত লুটপাট হয়েছে, এত ঋণ হয়েছে । এত  চুক্তি হয়েছে মাত্র গুটি কয়েকজন নেতার মাধ্যমে যা গ্রহনযোগ্য হতে পারে না জাতির কাছে । আর এই কাজ কে বারণ করার কোনো সুযোগ রাখা হয় নাই , প্রশাসনিক ব্যবস্থায় । তাই আমি চাই এই প্রকার চুক্তি থেকে বারণ করার জন্য  উচ্চকক্ষ মহা পরিষদ বানানো প্রয়োজন । যেকোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে উচ্চ কক্ষ থেকে অনুমতি লাগবে । এইজন্য একনেক কে বন্ধ করতে হবে । এখান থেকে লুটপাট শুরু হয় । যেহেতু সুযোগে দল গঠন করা হয়েছে সেই সুযোগে রাজধানীকে কেন্দ্র করে রাজনীতি চলতেছে । এমন ব্যবস্থার পরিবির্তন প্রয়োজন । দেশ ও জাতির উন্নতির জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ এর উপর দায়িত্ব দিতে হবে , এবং অর্থ দিতে হবে । রাজকোষ থেকে রাজস্ব ব্যয় করতে  হবে, একনেক থেকে  নয় । ১৬ কোটি মানুষের যতটুকু পাওয়ার মত ছিল, ততটুকু বা তার অর্ধেক ও পায় নাই উপরন্তু ক্ষতি হয়েছে । আজ কৃষিপ্রধান দেশে গরু-মহিষ নাই, পতিত জমি নাই, ডি সি ক্ষতিয়ান ভুক্ত জমি বিক্রয় হয়েছে । এই ডি সি প্রথা বিলুপ্ত করতে হবে , উপজেলা বিলুপ্ত করতে হবে, সরকারী কর্মকর্তা কমাতে হবে অনেক বেশি করে । নাগরিক গণ নিজ নিজ কাজ করতে হবে, নিজ নিজ কাজ তৈরী করতে হবে। দেশের সকল রাজস্ব এবং সকল প্রকার আয় নাগরিকদের সাথে ব্যয় করতে হবে , তা না হলে লুটপাট বন্ধ হবে না । শিক্ষা, চিকিতসা, বাসস্থান, এই সবকিছুর নিশ্চয়তার বিধান আনতে । অবহেলিত জঙ্গোষ্ঠী কে সম্মান দেখাতে হবে, সবকিছুর অধিকার দিয়ে । রাজধানীতে কেন্দ্র করে আর রাখতে দেওয়া হবে না । সকল কর্মকান্ড বর্তমান সরকার যদি বিকেন্দ্রীকরণ করে ইউনিয়ন পরিষদের কাছে দায়িত্ব দেন, এবং সকল উন্নয়ন পরিকল্পনা বন্ধ রাখেন , এতে করে কর্মসংস্থান হয়ে যাবে । আর এই কাজ কি বর্তমান সরকার  করতে পারবেন । না তারা পারবেন না । সে কাজ আমাকেই করতে হবে । না হলে প্রতারণা হবে জাতীর সাথে । এই সরকার যে সংস্কার করিতেছেন তা তাদের অধীনে নয় । এইসব কাজ ইউনিয়নের কাজ । তাদের হাতে দায়িত্ব দেওয়ার  অধিকার ছিল বর্তমান সরকারের কাছে  ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ  তা না করে সময় অতিবাহিত করতেছেন । প্রশাসনিক ব্যবস্থা , গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল পরিবর্তন করতে পারবে , এই জন্য যে আমি চিন্তা করিতেছি , জাতি ও রাজস্ব সকল নাগরিকদের  সাথে কল্যাণ রাষ্ট্র তৈরী করে সকল অবহেলিত দেরকে সাথে নিয়ে জাতি গঠন করবো এটাই বিপ্লব । জুলাই –আগস্ট বিপ্লব এই অধিকার আদায় করার জন্য । এই অধিকার আদায় করার জন্য ক্ষমতার প্রশাসন পরিবর্তন করতে হবে সচিবালয়ে, ১০০ কর্মকর্তা লাগবে ,এর বেশী নয় । বাকীসব ইউনিয়ন পরিষদের থাকবে । মধ্যখানে কোনো শাসক থাকতে পারবে না ,তারা সরকারকে সৌচ্চার বানাতে সবসময় সাহায্য করে । সেনাবাহিনী বিদেশের সাথে দেখা করতে পারবেন না, এইসব কার্যকর আমার সরকার করবে । 
স্থানীয় নির্বাচন এর জন্য যাহা করা প্রয়োজন তাহা হলো অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিত্তসা, বিচার ব্যবস্থা বিনামূল্যে সরকারী খরচে স্থানীয় সরকার দ্বারা এই সেবা প্রদান করিবার পূর্ণ ক্ষমতার অধিকার দিতে হবে । এই কাজ প্রথমে প্রচার করতে হবে এবং সকল পৌরসভা কে ও সিটি কর্পোরেশন কে ছোট আকারে ইউনিয়ন পরিষদে পরিণত করা ভালো হবে , অথবা তারা উপরোক্ত সেবা দিতে বাধ্য থাকিবে । এমন হলে সংসদ সদস্যদের ক্ষমতার বাহিরে থাকিয়া সেবা দিতে পারিবে , এবং যুক্তরাজ্যের মত রাষ্ট্র সেবা দিয়ে আমরা মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারবো । 
ইউনিয়ন পরিষদের তত্বাবধানে অনেক অনেক প্রকার কর্মসংস্থান আবিষ্কার করা সনভব, এবং কৃষিভিত্তিক অনেক কাজ আছে যা বাজারজাত করা সম্ভব । আমাদের স্থানীয় চাহিদা পূরন করা হলে এর জন্য স্থানীয় পর্যায় কর্মসংস্থান ব্যবসায়ীদের উপর ছেড়ে দেওয়া ভালো হবে । কর্মসংস্থান ইউনিয়ন পর্যায় দেওয়া হউক, গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল তাই করবে, সকল প্রকার ব্যয় বহন করবে ।  

যুবশক্তির ৭ দফা
২০২৬ সালে নির্বাচন হলে দেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর অবস্থায় দেশ চলে যাবে , যে অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছিল সারা জাতি, তা আবার নতুন করে বাস্তবায়ন হবে, আর শক্ত হাতে শাসন কার্যক্রম চলতে থাকবে । আমাদের দেশের জন্য ভালো হত স্থানীয় সরকার নির্বাচপন হওয়া, তা আবার সংস্কার হওয়া পদ্ধতিতে প্রতি ১ বছর পর পর নির্বাচন হওয়া, এবং সকল সেবা পরিচালনা করার জন্য দায়-দায়িত্ব দেওয়া ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে  । এবং পর্যাপ্ত জনবল দেওয়া ও প্রশিক্ষণ দেওয়া । জাতীয় যুবশক্তির  ৭ দফা ইশতেহারে পড়েছি । সবই ভালো কথা । তা কে বাস্তবায়ন করবে এবং দিনের পর দিন তদারকী করবে, যত্ন করে প্রশাসন পরিচালনা করবে । আমি বলি, এ সব এর জন্য প্রয়োজন  স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ এর অধীনে পরিচালিত হওয়া , জাতীয় সংসদ এর কাজ নয় ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনা করা । এই দাবী-দাওয়া জনগনের কাছে পৌঁছানো । ইউনিয়ন এর কাজ সাধারণ জনগন কে নিয়ে বাস্তবায়ন করা । এই সময়ে আমাদের উচিত হবে, দাবী হওয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়া এবং সংস্কার হওয়া বিষয় নিয়ে আলোচনা করা ।
গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল
দেশের বর্তমান সংকট নিরসনের জন্য গণপরিষদ গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল, আমি এ কাজ করতে পারবো । উপদেষ্টা হলে এবং সম্পূর্ন দায়ীত্ব দিলে আমি আমার মত করে গণপরিষদ গঠন করতে পারবো । আমি সকল দল থেকে ৫ জন করে নেব । প্রতিটি ইউনিয়ন ৩ জন, পৌরকর্পোরেশন সব জায়গা ৩ জন এবং রাষ্ট্র চিন্তা করেন, সমাজচিন্তা, পত্র-পত্রিকার মতামত  বিষয়ে  লেখা পাঠান ঐ স্থান থেকে ৫০ জন, সব মিলে ৯০০ জন বা এক হাজার জন নিয়ে গণপরিষদ তৈরী করব । সেখানে এক একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে ৩০  মিনিট বা পরে  ভোট হবে । যদি ৫৫ ভাগ থেকে রায় পায়, তবে আইন পাস হতে পারে  তবে ৬০ ভাগ এর জন্য আবার আবার ভোট নেওয়া হবে । প্রতি বিষয়ভিত্তিক ভোট হবে । এখানে কোনো দলভিত্তিক আলোচনা হবে না । রাষ্ট্র, সমাজ ও মানবকল্যাণ নিয়ে আলোচনা হবে । নাগরিক অধিকার নিয়ে আলোচনা হবে এবং তা  ইউনিয়ন এর উপর দায়িত্ব দেওয়া হবে । এই মর্মে উপস্থাপন করা হবে । 
বর্তমান ব্যবস্থায় সরকারী কর্মকর্তা, কর্মচারীদের কে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়, জনগন তার বাহিরে থাকে । আমি সকল নিম্ন আয়ের মানুষ কে একটা আর্থিক সুবিধা দেওয়ার কথা বলবো । সকল বঞ্ছিত মানুষের চাহিদা পুরনের  কথা বলবো । আমি পড়ে থাকি দেখার কেউ নেই, কোথায় যাব, কোথায় গিয়ে মাথা রাখি , কোথায় গিয়ে বিচার চাইবো , আমি অসহায় হয়ে গেছি । এই সকল মানুষ কে রাষ্ট্র সকল প্রকার সহায়তা দিবে । যারা চাঁদাবাজ হয়েছে, তাদের সকল কথা শুনবো এবং সমাধান এনে দিব । আমি কল্যাণ রাষ্ট্র বানাবো সকল নাগরিকদের জন্য । যত নাগরিকগন নিম্ন আয় করে থাকেন  বা না করতে পারেন , সকল কে মাসিক একটা পরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে ,  নুন্যতম রাষ্ট্র নির্ধারিত আকারে হতে পারে । এই অর্থ হবে নাগরিক অধিকার ।  আমার সরকার সকল নাগরিকদের আবাসন দিবে , এই হবে তার নাগরিক অধিকার । আমার সরকার সকল প্রকার বিচারিক সহায়তা দিবে বিনামূল্যে । বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান শিক্ষা পাবে। এই টা হবে তার নাগরিক অধিকার । 
 
গ্রামবাংলা গণতান্ত্রিক দল 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *